সিনেদুনিয়ার ভেতরে নেপোটিজমই হোক বা স্বজন পোষণ, কোনও না কোনও ক্ষেত্রে কেউ না কেউ পরিস্থিতির শিকার হয়েছেই, তা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই, কারণ একটাই, বারে বারে এই প্রসঙ্গে মুখ খুলে পরিস্থিতির বাস্তব কঠিন ছবিটা সামনে স্পষ্ট করে দিয়েছে সেলেব মহল। এবার সেই একি কথা শোনালেন রুদ্রা খ্যাত রাশি খান্না। সদ্য মুক্তি প্রাপ্ত ওয়েব সিরিজ রুদ্রাতে দেখা গিয়েছে রাশিকে। অজয় দেবগণ ও রাশি খান্না, দুজনেরই রুদ্রা সিরিজ দিয়েই ওয়েব দুনিয়ায় হাতেখড়ি, কিন্তু দীর্ঘ নয় বছর পর বলিউডে কাজে ফেরা, মাঝের সফরটা ঠিক কেমন ছিল রাশির!
২০১৩ সালে প্রথম মাদ্রাস ক্যাফে ছবি দিয়ে হাতেখড়ি হয়েছিল ব-টাউনে। তারপর তিনি দক্ষিণী দুনিয়ায় পা রেখেছিলেন। প্রথম কয়েকটি ছবি ভাল চললেও পরবর্তীতে কাজ পেতে বেজায় বেগ পেতে হত, সঠিক কারণ খুলে না বলতে পারার অজুহাক এক এক সময় হয়ে উঠত রূপ, তাঁকে বলা হত, সে একটু বেশি সুন্দর! সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাশি জানান, তাঁকে স্পষ্টই বাদ দেওয়া হত এটাই বলে যে তিনি বেশ সুন্দর। অজয় দেবগণের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাও অনবদ্য। যেখানে যেখানে সমস্যা দেখা দিত, অজয় দেবগণ পাশে দাঁড়াতেন, অশান্ত হয়ে উঠলে বা পারব না প্রসঙ্গ উঠলে, অজয়ের উপদেশ মিলত, চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষম শান্ত হয়ে বস, তুমি পারবে। এভাবেই ধীরে ধীরে নিজেকে ছন্দে ফেরানোর চেষ্টা।
দক্ষিণী ছবির দুনিয়ায়, ঠিক যে ধরণের ছবি সে চাইতো, সেই ধরনের ছবির জন্য তাঁকে কখনই ডাকা হত না। একটা সময়ের পর বিষয়টা নিজেই লক্ষ্য করেছিলেন রাশি। ঠিক যেন একপেশে ছবির জন্যই তাঁকে বারে বারে ডাকা হত। ব্যাস ধীরে ধীরে সেই ছবির ছন্দের সঙ্গে নিজেকে মিলিয়ে নিতে থাকলেন রাশি, ভাবেননি কখনও বলিউডে আবার ফিরে আসবেন। তবে হিন্দি ছবি করার মজাই আলাদা কারণ, এটা তাঁর ভাষা, তাঁর জায়গা। তাই রাশির কথায়, দক্ষিণী দুনিয়ায় বেশ কয়েকটা বছর কাটালেও, তিনি দিব্য আছেন বলিউডে। তাঁর আগামী ছবি যোদ্ধা, যা আসতে চলেছে ধর্ম প্রযোজনা সংস্থা থেকে।
আরও পড়ুন- Kriti Sanon-Meena Kumari: কৃতী শ্যানন কি অভিনয় করছেন মীনা কুমারী চরিত্রে?