AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

দমদমে কেন বাজারে পাঠানো হতো না প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়কে? নিজে বললেন

ছোটবেলায় দমদমে বড় হয়েছেন প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়। গত ২০ বছর ধরে প্রসেনজিতের সঙ্গে বালিগঞ্জ জায়গাটার নাম জড়িয়ে আছে। বালিগঞ্জের বাড়িতে থাকেন তারকা। কিন্তু তাঁর শৈশব জুড়ে আছে দমদম। দমদমে যখন বড় হচ্ছিলেন, তখন তিনি নাকি বাজার যেতে চাইতেন। কিন্তু কেন তাঁকে বাজারে পাঠানো হতো না, তা নিয়ে একটা মজার গল্প নিজেই ভাগ করে নিলেন বুম্বাদা। তাঁর কথায়, ''ছোটবেলায় আমাকে বাজারে পাঠানো হতো না, কারণ আমি খুচরো পয়সা ফেরত নিতাম না!''

দমদমে কেন বাজারে পাঠানো হতো না প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়কে? নিজে বললেন
| Edited By: | Updated on: Feb 03, 2026 | 6:53 PM
Share

ছোটবেলায় দমদমে বড় হয়েছেন প্রসেনজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়। গত ২০ বছর ধরে প্রসেনজিতের সঙ্গে বালিগঞ্জ জায়গাটার নাম জড়িয়ে আছে। বালিগঞ্জের বাড়িতে থাকেন তারকা। কিন্তু তাঁর শৈশব জুড়ে আছে দমদম। দমদমে যখন বড় হচ্ছিলেন, তখন তিনি নাকি বাজার যেতে চাইতেন। কিন্তু কেন তাঁকে বাজারে পাঠানো হতো না, তা নিয়ে একটা মজার গল্প নিজেই ভাগ করে নিলেন বুম্বাদা। তাঁর কথায়, ”ছোটবেলায় আমাকে বাজারে পাঠানো হতো না, কারণ আমি খুচরো পয়সা ফেরত নিতাম না!”

সেই আমলে বাজার করে খুচরো পয়সা ফেরত নেওয়ার বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। খুচরো পয়সা ফেরত না নিলে অনেকটা অঙ্কের লোকসান হয়ে যাচ্ছে, এমনই মনে করতেন গুরুজনরা। এখন বিষয়টা অবশ্য আলাদা। বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে বাজারে গিয়ে কোনও জিনিসের যা দাম, ঠিক তাই দেওয়ার চল হয়েছে।

প্রসেনজিত্‍ এই গল্পটা TV9 বাংলার সঙ্গে ভাগ করে নিলেন দমদমের এক স্কুলে পৌঁছে। মুক্তি পেয়েছে ‘বিজয়নগরের হীরে’। এই বছরের প্রথম হিট ছবি সেটি। সরস্বতী পুজোর সময় থেকেই দর্শকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে ছবিটি। হাউজফুল বোর্ড দেখে টিমের মুখে হাসি। ছবিটির প্রচারে দমদমের এক স্কুলে পৌঁছে গিয়েছিলেন বাংলার সুপারস্টার। সেখানে বুম্বাদাকে ঘিরে স্কুল পড়ুয়াদের উত্‍সাহ ছিল দেখার মতো। সেই স্কুলে দাঁড়িয়েই নায়ক পৌঁছে গিয়েছিলেন শৈশবে। ছোটবেলায় কী-কী করতেন, সে কথা বলার মাঝেই তিনি জানান, তাঁর বাজার যাওয়া নিয়ে এই মজার ঘটনার কথা।বলাই বাহুল্য, টলিপাড়ার চর্চিত নায়ক হয়ে ওঠার পর তাঁর আর নিয়মিত বাজারে যাওয়ার সুযোগ হয়নি।