গো-সুরক্ষায় কার্পণ্য ‘নাপসন্দ’ যোগীর, গোশালায় পাঠানো হচ্ছে অক্সিমিটার, থার্মাল স্ক্যানার
দেশের করোনা (COVID-19) সংক্রমণে চতুর্থ স্থানে রয়েছে উত্তর প্রদেশ। দৈনিক সংক্রমণ ২৬ হাজারও পার করে গিয়েছে।
উত্তর প্রদেশ: রাজ্যের গোশালাগুলিতে (Goshala) যাচ্ছে অক্সিমিটার ও থার্মাল স্ক্যানার। উত্তর প্রদেশের এই খবর ছড়াতেই হইচই পড়ে যায়। যে কোনও প্রাণই সুরক্ষিত থাকা প্রয়োজন। কিন্তু অতিমারির ভারতে যখন মানুষের ওষুধ, অক্সিজেন, হাসপাতালের বেড অকুলান, সেখানে গোশালায় অক্সিমিটারটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে না? যদিও সে রাজ্যের সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, গো বলয়ের এই রাজ্যে বহু মানুষ গোশালায় কাজ করেন। তাঁদের কথা চিন্তা করেই মেডিক্যাল সামগ্রীগুলি পাঠানো হচ্ছে।
সম্প্রতি যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে সরকারের তরফে একটি প্রেস বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাজ্যের প্রতি জেলায় গরুর সুরক্ষার কথা চিন্তা করে হেল্প ডেস্ক খোলা হবে। মানতে হবে কোভিড-বিধি। মাস্ক পরা, থার্মাল স্ক্রিনিংও আবশ্যক।
আরও পড়ুন: করোনা পজিটিভ শুনেই মাকে বাড়িতে ফেলে পালাল ছেলে
সূত্রের খবর, সেই সরকারি নির্দেশিকায় উল্লেখ রয়েছে, গরুর সুরক্ষার কথা ভেবে ৭০০টি হেল্প ডেস্ক খোলা হবে রাজ্যজুড়ে। ৫১টি অক্সিমিটার, ৩৪১টি থার্মাল স্ক্যানারও দেওয়া হয়েছে গো-সুরক্ষার কথা চিন্তা করে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগেই গোশালায় আশ্রয় পেয়েছে অসহায় গরুর দল। বহু গোশালা তৈরি হয়েছে। আরও হবে। ৫২৬৮ গো-রক্ষা কেন্দ্রে এখনও অবধি ৫,৭৩,৪১৭টি অসহায় গরুর ঠাঁই হয়েছে। তাদের সুরক্ষায় যোগী রাজ্যে বিশেষ যোজনাও রয়েছে। নাম ‘মুখ্যমন্ত্রী বেসাহারা গৌবংশ সহভোগিতা যোজনা’ (Mukhya Mantri Besahara Gauvansh Sahbhagita Yojana)।
উল্লেখ্য, দেশের করোনা সংক্রমণে চতুর্থ স্থানে রয়েছে উত্তর প্রদেশ। দৈনিক সংক্রমণ ২৬ হাজারও পার করে গিয়েছে। মৃত্যু মিছিলও অব্যাহত। সে রাজ্যেও অক্সিজেনের অভাবে করোনা রোগীর প্রাণহানির অভিযোগ উঠেছে।