EC: বিধানসভা ভিত্তিক মনোনয়ন পর্ব থেকেই নজরদারি, রাজ্যে আসছেন এক ঝাঁক কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক
Election Commission: কমিশন নির্বাচনের ক্ষেত্রে পুরনো অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেখেছে, মনোনয়ন পর্ব থেকেই বাংলার একাধিক জায়গা থেকে অভিযোগ, অশান্তির খবর আসতে শুরু করে। জোর করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা শুরু থেকে রাজনৈতিক হিংসারও অভিযোগ ওঠে। গত বিধানসভা নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিরোধীরা একাধিক অভিযোগ তুলেছিলেন।

নয়া দিল্লি: প্রত্যেক বিধানসভার জন্য অবজারভার নিয়োগ হচ্ছেন। ভোট বিজ্ঞপ্তি জারির দিনই রাজ্যে এক ঝাঁক কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক। সূত্রের খবর, প্রত্যেক বিধানসভার চূড়ান্ত নজরদারিতে অন্ততপক্ষে এক জন করে পর্যবেক্ষক থাকতে চলেছেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়াও চলবে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের নজরদারিতে। বাংলা-সহ ৫ রাজ্যেই এই ফর্মুলা নির্বাচন কমিশনের। দেশের ১ হাজার ৪৪৪ জন অফিসারকে ট্রেনিং দিচ্ছে কমিশন।
কমিশন নির্বাচনের ক্ষেত্রে পুরনো অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেখেছে, মনোনয়ন পর্ব থেকেই বাংলার একাধিক জায়গা থেকে অভিযোগ, অশান্তির খবর আসতে শুরু করে। জোর করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা শুরু থেকে রাজনৈতিক হিংসারও অভিযোগ ওঠে। গত বিধানসভা নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিরোধীরা একাধিক অভিযোগ তুলেছিলেন। এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিজ্ঞপ্তি যেদিন জারি করা হবে, সেদিন থেকেই প্রায় ২৯৪টা কেন্দ্রেই বিধানসভা ভিত্তিক আলাদা আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা থাকবেন।
তবে এই সিদ্ধান্ত যে কেবল পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে, তেমনটা নয়, মোট ১৪৪৪ জন আইপিএস, আইএএস, আইআরএস অফিসারদের গত কয়েকদিন ধরে লাগাতর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের তামিলনাড়ু, কেরল, অসম, পুদুচেরিতে নিয়োগ করা হবে। এই আধিকারিকদের মধ্যে আইপিএস অফিসারদের পুলিশ অবজারভার হিসাবে ব্যবহার করা হবে। আইএএস পর্যমর্যাদার আধিকারিকদের জেনারেল অফিসার হিসাবে ব্যবহার করা হবে। রেভিনিউ অর্থাৎ আর্থিক ক্ষেত্রে নজরদারির জন্য আইআরএস অফিসারদের ব্যবহার করা হবে। মনোনয়ন পর্ব থেকে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গোটা নজরদারি রাখবেন তাঁরা।
