নয়া দিল্লি: সোমবার থেকে সংবিধানের উপর রাজ্যসভার আলোচনায় অভিনব বক্তৃতার কৌশল তৃণমূলের-কংগ্রেসের। সাধারণত দলের জন্য বরাদ্দ সময়ে এ ধরনের আলোচনায় দু’জন থেকে তিনজন সাংসদ বক্তৃতা করেন। ইতিমধ্যেই লোকসভায় বলেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়, মহুয়া মৈত্র এবং সৌগত রায়। সূত্রের খবর, এবার রাজ্যসভার জন্য নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূলের সিদ্ধান্ত, রাজ্যসভায় দলের ১০ অথবা ১১, বা যতজন সাংসদ উপস্থিত থাকবেন প্রত্যেকেই বলবেন। প্রত্যেকের জন্য বরাদ্দ ৩ মিনিট। সংবিধানের প্রস্তাবনার এক একটি শব্দ ধরে নিয়ে ৩ মিনিট করে বলবেন এক একজন সাংসদ। অর্থাৎ, কেউ বলবেন ‘সমাজতান্ত্রিক’, কেউ বলবেন ‘ধর্মনিরপেক্ষ’, কেউ বলবেন ‘গণতান্ত্রিক’এর মতো শব্দ নিয়ে।
কীভাবে সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লিখিত শব্দগুলি আজ বিপন্ন তা তুলে ধরাই লক্ষ্য। সে কারণেই এবার এই নয়া কৌশল নিতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। কিন্তু সে ক্ষেত্রে সব সাংসদদের বলার কথা কেন বলা হচ্ছে? ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পশ্চিমবঙ্গের বৈচিত্রময় বিভিন্ন জাতি, ধর্ম, ভাষার প্রতিনিধিত্ব যে এক একজন তৃণমূল সাংসদ করছেন, তা বোঝাতে চাইছে বাংলার শাসকদল। বৈচিত্রের সমাহারেই আসল সমস্যার কথা রাজ্যসভায় তুলে ধরতে চাইছেন তৃণমূলের সাংসদেরা।