West Bengal News Today Live: ‘শুধু তৃণমূলের মুসলিমদের কথা বলেছি’, সংখ্যালঘুদের নিয়ে যা বললেন শুভেন্দু
Breaking News in Bengali Live Updates: বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পরপর কর্মসূচি, নেতা-নেত্রীদের মিটিং-মিছিল বলে দিচ্ছে বাংলায় ভোটের আর বেশিদিন বাকি নেই। কোচবিহারে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সেখানে জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর।

ভোট এগিয়ে আসতেই শুরু হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি। সোমবারের পর মঙ্গলবারও কোচবিহারে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, সেখান থেকেই জনসভা করার কথা তাঁর। কোচবিহার শহরের রাসমেলা ময়দানে রাজনৈতিক জনসভা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
LIVE NEWS & UPDATES
-
সংখ্যালঘু প্রসঙ্গে বিজেপির অবস্থান
- সংখ্যালঘুদের মন পেতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
- মুসলিম ভোট ও বিজেপির অবস্থান নিয়ে তাঁর মতামতের ব্যাখ্যা দিয়েছেন শুভেন্দু।
- শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি কখনই বলেননি, মুসলিম ভোট তিনি চান না, তিনি যে আসলে সংখ্যালঘুদের ভোট পান না, সেটাই বলেছেন।
- বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, খুনী, দুষ্কৃতীদের কোনও জাত ধর্ম হয় না, তৃণমূল আশ্রীত মুসলিম দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে বলেছেন বলেই দাবি করছেন তিনি।
-
বন্দেমাতরমের ১৫০ বছর পূর্তিতে বিশেষ উদ্যোগ
- বন্দেমাতরম নিয়ে তথ্যচিত্র সব জায়গায় দেখানো হবে। কোটি কোটি মানুষ দেখতে পাবেন।
- অল ইন্ডিয়া রেডিও-তে বিশেষ অনুষ্ঠান হবে। একাধিক শহরে আলোচনাসভা বসবে।
- সব ভারতীয় দূতাবাসে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আলোচনা করা হবে। হাইওয়েতে বিশেষ চিত্র দেখানো হবে।
-
-
বন্দেমাতরম গাওয়ার সময় সংসদ ছেড়ে বেরিয়ে যান অনেকে: অমিত শাহ
- কংগ্রেসের নেত্রী বলেছেন, বন্দেমাতরম নিয়ে আলোচনার কোনও প্রয়োজন নেই।
- ১৯৯২-তে বিজেপি সাংসদ বন্দেমাতরম সংসদে গাওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। লালকৃষ্ণ আদবানিও তখন বলেছিলেন, সংসদে এই গান গাওয়া উচিত। সেই সময় ইন্ডিয়া জোটের বহু নেতা-নেত্রী আপত্তি জানিয়েছিলেন।
- আমি নিজে চোখে দেখেছি, অনেক নেতা বন্দেমাতরম গাওয়ার সময় সংসদ ছেড়ে চলে যায়।
- কারা সংসদ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন, কারা এই গান গাওয়ায় আপত্তি জানিয়েছিলেন, সেই তালিকা আমার কাছে আছে। আমি দিয়ে দেব।
-
আমি কাউকে বিভেদ করতে দিই না, বিভেদকে রুখব: মমতা
বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে মমতা বলেন, “আমরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে জানি। তোমরা এখন হাঁটি হাঁটি পা করে যাও, আর বাংলাকে ভুলে যাও। যতই চক্রান্ত কর, এসআইআর সামনে, পিছনে এনআরসি। এনআরসি মানি না। মানব না। ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না। মানুষ বিতাড়িত হবে না। নিশ্চিন্তে থাকুন। হিন্দুরা যদি গলার মালা হয় তাহলে রাজবংশীরাও আমার গলার মালা, তপসিলিরা যদি আমার গলার মালা হয় তাহলে আদিবাসীরা আমার গলার মালা, বৌদ্ধরা যদি আমার গলার মালা হয় তাহলে সংখ্যালঘুরাও আমার গলার মালা। আমি কাউকে বিভেদ করতে দিই না। বিভেদকে রুখব। বাংলাকে ঐক্যবদ্ধ রাখব। পঞ্চানন বর্মার পায়ে হাত দিয়ে শপথ করছি।”
-
ফের সরব কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে
ফের কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মমতা বলেন, “একশোদিনের কাজ কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। ৭টা জেলার জন্য ভোট নেয় ওরা কিন্তু কাজটা করি আমরা। আমরা প্রায় অনেকগুলো চা বাগান খুলে দিয়েছি। কিন্তু হিংসার তো কোনও ওষুধ হয় না, একশোদিনের কাজ ৪ বছর বন্ধ করে দিয়েছে, আবাস যোজনা বন্ধ করে দিয়েছে, গ্রামীণ রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।”
-
-
‘বন্দেমাতরমকে দু’টুকরো না করা হলে দেশভাগ হত না’
- বন্দে মাতরমের সুবর্ণজয়ন্তীতে জওহরলাল নেহরু বন্দেমাতরমকে দু’টুকরো করে দিয়েছিলেন। গানের মহিমা ক্ষুন্ন করেছিল কংগ্রেস।
- সেই থেকে তোষণ শুরু। আর তার জেরেই পরবর্তীতে দেশভাগ হয়।
- বন্দেমাতরমকে দু’টুকরো না করা হলে দেশভাগ হত না।
- বন্দেমাতরমের ১০০ বছর পূর্তিতে কোনও উদযাপন হয়নি, কারণ যারা বন্দেমাতরম বলত, তাদের জেলে পুরে দিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।
- আর গতকাল ১৫০ বছর পূর্তিতে লোকসভায় আলোচনা হতে গান্ধী পরিবারের দুই সদস্যের একজন ছিল না।
- কংগ্রেস বরাবরই বন্দেমাতরমের বিরোধিতা করে এসেছে।
-
‘সরস্বতী, লক্ষ্মী, দুর্গা তিন রূপ মিলেই ভারত’
অমিত শাহ বলছেন,
- সবাই জানে আমাদের দেশ অনন্য। ভারত একমাত্র দেশ যাদের সীমান্ত সংস্কৃতি দিয়ে তৈরি। আমাদের দেশের ঐক্যের মন্ত্র আমাদের সংস্কৃতি।
- যখন বন্দেমাতরমে বাধা দিচ্ছিল ব্রিটিশরা, তখন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একটি চিঠিতে লিখেছিলেন, আমার সব সাহিত্য গঙ্গায় ভাসিয়ে দিলেও কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু বন্দেমাতরম অনন্তকাল ধরে থেকে যাবে। ভারতের পুনর্নিমাণের মন্ত্র হবে। বঙ্কিমচন্দ্রের সেই স্বপ্ন সত্যি হয়েছে।
- আমরা মানি, ভারত মায়ের রূপ, নেহাত এক টুকরো জমি নয়।
- সরস্বতী, লক্ষ্মী, দুর্গা তিন রূপই ভারত। আমাদের সমৃদ্ধি, সুরক্ষা, জ্ঞান সবটাই ভারত মায়ের কৃপা। এক বড় সংকল্পের কথা ছিল ওই গানে।
- রামায়ণে শ্রী রামও বলেছিলেন, মা আর মাতৃভূমি ঈশ্বরের থেকেও বড়। বঙ্কিমচন্দ্রের বন্দেমাতম যেন অন্ধকারে আলো দেখিয়েছিল।
-
‘ভারত মা-কে মুক্ত করার স্লোগান ছিল এই বন্দেমাতরম’
- ভারত মা-কে মুক্ত করার স্লোগান ছিল এই বন্দেমাতরম। স্বাধীনতার স্তোত্র ছিল বন্দেমাতরম।
- আগামী প্রজন্ম বন্দেমাতরমের মাহাত্ম্য বুঝবে।
- বন্দেমাতরম রচনা হওয়ার সময় উচ্চমানের সাহিত্য সৃষ্টি বলেই বিবেচিত হত। পরবর্তীতে স্বাধীনতার পথে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে বন্দেমাতরম।
- ব্রিটিশরা এক নতুন সংস্কৃতি প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেছিল। আর ঠিক সেই সময় বন্দেমাতরম রচনা করেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- কোনও সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না, ব্রিটিশরাও বাধা দিয়েছিল, তারপরও সবার মন ছুঁয়ে গিয়েছিল বন্দেমাতরম।
-
বন্দেমাতরম নিয়ে আলোচনায় অমিত শাহ
অমিত শাহ বলছেন,
- একাধিক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থেকেছে সংসদ। বন্দেমাতরমের ১৫০ বছর পূর্তিতে বন্দে মাতরমকে চিরকালীন করার জন্য এই আলোচনা। আগামিদিনেও যেন বন্দে মাতরমের মাহাত্ম্য অনুভব করতে পারে সবাই।
- কাল কয়েকজন লোকসভায় প্রশ্ন তুলেছে, আজ বন্দে মাতরম নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন পড়ল কেন? বন্দে মাতরম নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন স্বাধীনতার সময়ও ছিল, আজও আছে, আগামিদিনেও থাকবে।
- কেউ কেউ বাংলার ভোটের সঙ্গে বন্দেমাতরমের যোগ তৈরি করে গুরুত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন।
- এটা সত্যি যে বন্দেমাতরমের সৃষ্টি বাংলায়। কিন্তু পরে সেই বন্দেমাতরম দেশের সীমা ছাড়িয়ে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।
- সীমান্তে আমাদের জওয়ানরা শহিদ হওয়ার সময়ও বলে থাকেন বন্দেমাতরম।
-
মমতার নিশানায় বিহারের নির্বাচন
বিহার ভোটের প্রসঙ্গ টেনেও আক্রমণ শানান মমতা। মহিলা রোজগার যোজনা নিয়ে তীব্র কটাক্ষের সুরে বললেন, “আমরা যা দেওয়ার আগেই দিই। ভোটের সময় নতুন করে উজ্বলার নামে একমাসের নাটক। নতুন করে চা বাগান খোলার নামে নাটক। নতুন করে কিছু দেওয়ার নামে নাটক। এসব নাটক আমরা বরদাস্ত করি না। আপনারা নির্বাচনের আগে বিহারে লোক দেখিয়ে কী করলেন?” এরপরই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের খতিয়ান তুলে ধরে বলেন, “আগে করে দেখান। তারপরে আমার সঙ্গে লড়াই করতে আসবেন।”
-
বামেদের আক্রমণ মমতার
ছাব্বিশের নির্বাচনে রাজবংশী ভোটে নজর তৃণমূল কংগ্রেসের। এবার এসআইআর আবহে কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে জনসভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে উঠেই তুলোধনা বামেদের। বলেন, “ক্ষমতায় আসার পর এক বছর সময় দিতে হয়েছে বামফ্রন্ট সরকারের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে। তারপর মাত্র ১৩ বছর হাতে টাইম পেয়ছি।” এরপরই ফের একবার লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে কন্যাশ্রীর মতো নানাবিধ জনমুখী প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরেন।
-
হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন হুমায়ুন
- নতুন দল গড়ার কথা ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন কবীর। তারপরই নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়েছেন তিনি।
- বিধায়কের দাবি, কেন্দ্র তাঁকে সুরক্ষা দিতে চেয়েছিল। তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন বলেছেন।
- বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনপর্বেই হুমায়ুন অভিযোগ করেছিলেন তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। শনিবার বেলডাঙায় ‘বাবরি’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। সোমবারই তিনি প্রাণনাশের হুমকি পান বলে অভিযোগ।
-
উদয়ন-রবীন্দ্রনাথ দ্বন্দ্ব দেখে ক্ষুব্ধ মমতা
মেরুর একদিকে উদয়ন, অন্যদিক রবীন্দ্রনাথ। আর এই দ্বন্দ্ব দেখে চটে গেলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। সূত্রের খবর, সোমবার রাতে নিজের সার্কিট হাউসে জেলার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ এবং বর্তমান উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর মধ্যে হওয়া আকচাআকচি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তিনি। দ্বন্দ্ব মেটাতে দিয়েছেন কড়া বার্তা।
Published On - Dec 09,2025 10:31 AM
