Dumdum: পুজোর চাঁদায় ‘জুলুমবাজি’, দাবি মতো টাকা না মেলায় বাড়িতে চড়াও, মারধর

Durga Puja Bills: পরিবারের পক্ষে পাঁচশো টাকা চাঁদা বাবদ দেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও সন্তুষ্ট হয়নি পুজো কমিটি।

Dumdum: পুজোর চাঁদায় 'জুলুমবাজি', দাবি মতো টাকা না মেলায় বাড়িতে চড়াও, মারধর
পুজোর চাঁদা নিয়ে জুলুমবাজি (নিজস্ব চিত্র)

কলকাতা : পুজো শেষ। বাঙালির ঘরে ঘরে এখন চলছে বিজয়ার মিষ্টিমুখ। কিন্তু এরই মধ্যে পুজোর চাঁদা নিয়ে জুলুমবাজি কলকাতা শহরতলিতে। মন মতো চাঁদা না পাওয়ায় হামলা পরিবারের উপর। এমনটাই অভিযোগ আক্রান্ত পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান উৎপলেন্দু দাস ও তাঁর পরিবারের। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দমদম পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের দমদম ক্যান্টনমেন্টের গড়ুই এলাকায়।

অভিযোগ, গড়ুই পশ্চিমপাড়া সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির তরফে একটি ‘ব্ল্যাঙ্ক বিল’ দিয়ে যাওয়া হয়েছিল দাস পরিবারকে। পরিবারের পক্ষে পাঁচশো (৫০০) টাকা চাঁদা বাবদ দেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও সন্তুষ্ট হয়নি পুজো কমিটি। রবিবার দ্বাদশীর দিনে দুপুর বেলা হঠাৎই পুজো কমিটির এক দল যুবক চড়াও হয় বাড়িতে। হামলা চালায় দাস পরিবারের বড় ছেলে উৎপলেন্দু দাস ও তাঁর ভাই বিমলেন্দু দাসের ওপর। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় তাঁদের, হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

পরিবারের তরফে আরও জানানো হয়, পুজো কমিটির তরফে বাড়ি বিক্রি করে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে তাঁদের। প্রমাণ হিসেবে গোটা ঘটনা মোবাইলে ক্যামেরা বন্দী করে দাস পরিবার। তাদের আরও বক্তব্য, দমদম থানায় অভিযোগ করতে গেলে সেখানে একটি সাধারণ ডায়েরি নিয়েই রেখে দেয় পুলিশ। বর্তমানে আতঙ্কে রয়েছেন দাস পরিবারের সদস্যরা। ভয়, আবারও যদি চড়াও হয় পুজো কমিটির ওই দল।

এই অভিযোগের বিষয়ে পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ঘটনাটি নিয়ে পুজোর উদ্যোক্তাদের কেউই মুখ খুলতে চাননি।

আক্রান্ত দাস পরিবারের ছোট ছেলে বিমলেন্দু দাস অবশ্য বলছেন, তাঁর দাদা পুজো কমিটির সদস্যদের ৫০০ টাকা দিতে চেয়েছিলেন দুর্গাপুজোর চাঁদা হিসেবে। কিন্তু যারা এসেছিল, তারা সেই টাকা নেয়নি। উল্টে তাঁর দাদাকে মারধর শুরু করে পুজো কমিটির ওই সদস্যরা।

সেই সময় বাড়ির উপরের তলায় ছিলেন বিমলেন্দু দাস। হই হট্টগোল শুনে তিনি নিচে নেমে আসেন এবং দেখেন তাঁর দাদাকে মারধর করা হচ্ছে। সেইসময় তিনি বাধা দিতে যান। কিন্তু উল্টে তাঁকেও মারধর করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা। এমনকী মারধরের সময় গলা টিপে ধরা হয়েছিল বলেও অভিযোগ বিমলেন্দুর। এর পাশাপাশি, বুকে এবং পিঠে ঘুষি মারার অভিযোগও রয়েছে।

পরিবারের অন্য এক সদস্য জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা যখন হামলা চালিয়েছিল, তখন গোটা ঘটনার ভিডিয়ো রেকর্ড করে নেওয়া হয়েছিল মোবাইলে। একাধিকবার আকটানোর চেষ্টা করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ওই সদস্য জানিয়েছেন, এতজন একসঙ্গে বাড়িতে এসে চড়াও হয়েছিল যে কোনওভাবেই তাদের আটকে রাখা যাচ্ছিল না।

আরও পড়ুন : Samik on Bangladesh: ‘পূর্বপুরুষকে কেন পালিয়ে আসতে হয়েছিল?’ ব্রাত্যর মৌনতাকে কটাক্ষ শমীকের

আরও পড়ুন : RG Kar: এক ঘণ্টার বৈঠকেও স্পষ্ট হল না হবু চিকিৎসকরা কী চান, ওদিকে পরিষেবা না পেয়ে রোগীরা কাতরাচ্ছে

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla