Calcutta High Court: ‘কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দরকার’, বেলডাঙার মামলার জল এবার হাইকোর্টে
প্রথম থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্কৃয়তার অভিযোগ তোলে বিরোধীরা। পরে যদিও শনিবার দুপুরে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে অ্যাকশনে নাম পুলিশ। গ্রেফতার হয় তিরিশজন। বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে জাতীয় সড়ক। এমনকী, জাতীয় সড়কের কাজের জন্য যে-যে জিনিসপত্র আনা হয়েছিল তা নষ্ট করে দেয় বিক্ষোভকারীরা।

কলকাতা: দু’দিন ধরে উত্তপ্ত ছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রেলগেট ভাঙচুর থেকে জাতীয় সড়কের কাজ আটকানোর অভিযোগ। এবার এই ঘটনার মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চ।
জানা যাচ্ছে, একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। বিজেপির তরফে এই মামলা করা হয়েছে। তবে শুধু বিজেপি নয়, বেলডাঙার আরও এক বাসিন্দাও এই মামলার আর্জি জানিয়েছেন। মূলত, ঝাড়খণ্ড বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুতে অশান্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে একদল ক্ষিপ্ত-উন্মত্ত জনতা শুক্র ও শনিবার লাগাতার সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করার পাশাপাশি তা ধ্বংস করে। খবর করতে গিয়ে সাংবাদিকদের হেনস্থা করা হয়। টার্গেট করে করে তাঁদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ ওঠে।
প্রথম থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্কৃয়তার অভিযোগ তোলে বিরোধীরা। পরে যদিও শনিবার দুপুরে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে অ্যাকশনে নাম পুলিশ। গ্রেফতার হয় তিরিশজন। বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে জাতীয় সড়ক। এমনকী, জাতীয় সড়কের কাজের জন্য যে-যে জিনিসপত্র আনা হয়েছিল তা নষ্ট করে দেয় বিক্ষোভকারীরা। পরবর্তীতে শনিবার দুপুরে ময়দানে নামে পুলিশ। তিনি বলেন,”আমরা ভিডিয়ো ধরে সাংবাদিককে মারের ঘটনায় চার জনকে চিহ্নিত করেছি। নির্দিষ্ট ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে। পাশাপাশি, আরও ৩০ জনকে যে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদেরকে ভিডিয়োতে চিহ্নিত করে, ধারাগুলি আরও একবার যাচাইয়ের পর আদালতে পাঠানো হবে।” এরপর সেই ঘটনারই জল এবার হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়াল। এখানে উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে আগেই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার একধাপ এগিয়ে হাইকোর্টে দায়ের হল মামলা।
