COVID-19 Vaccination: কেন্দ্র চাইলেও ‘দুয়ারে ভ্যাকসিনে’ সায় নেই রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের

Door to door vaccination: কেন্দ্রের তরফে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে সম্প্রতি জানান নীতি আয়োগের সদস্য ড. ভিকে পাল।

COVID-19 Vaccination: কেন্দ্র চাইলেও 'দুয়ারে ভ্যাকসিনে' সায় নেই রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের
দুয়ারে টিকায় কেন্দ্র সম্মতি দিলেও সায় নেই রাজ্যের। ফাইল চিত্র।

কলকাতা: যারা টিকাকরণ (Covid19 Vaccine) কেন্দ্রে যেতে অক্ষম, তাদের জন্য বাড়িতেই টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে কেন্দ্রের তরফে। সম্প্রতি নীতি আয়োগের (Niti Ayog) সদস্য ভিকে পাল এই কথা জানিয়েছেন। তবে দুয়ারে টিকায় কেন্দ্র সম্মতি দিলেও তাতে সায় নেই রাজ্যের। বাড়িতে টিকাকরণের তুলনায় শহর ও মফস্বলে যাতে মানুষ আরও বেশি করে টিকা পান, সেটাই লক্ষ্য হওয়া দরকার —বক্তব্য রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তার।

স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী বলেন, “এখন‌ই দুয়ারে টিকাকরণ শুরুর প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। সংক্রমণকে নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের অগ্রাধিকার। তার জন্য শহর এবং মফস্বল শহরগুলিতে টিকার দু’টি ডোজ সম্পূর্ণ করাই আমাদের অগ্রাধিকার।”

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ভারতের প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ করোনা ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ় পেয়ে গিয়েছেন। সেই পরিসংখ্যানকে মাইল ফলক বলে দাবি করেছে কেন্দ্র। টিকার প্রথম ডোজ় পেয়েছেন অন্তত দুই তৃতীয়াংশ মানুষ । দেশের ১৮ বছরের বেশি বয়সি মোট জনসংখ্যার ৬৬ শতাংশই অন্তত একটি ডোজ় পেয়েছেন বলে দাবি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

কিন্তু এরপরও টিকাকরণে রয়ে গিয়েছে বেশ কিছু সমস্যা। চলতি বছরের প্রথম দিক থেকে টিকাকরণ শুরু হলেও এখনও টিকাকরণ কেন্দ্রগুলিতে লম্বা লাইন নজরে আসছে। এ ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়ছেন বৃদ্ধ বা অসুস্থ ব্যক্তিরা। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকা নেওয়া তাঁদের কাছে দুর্গতি ছাড়া আর কিছুই নয়। পাশাপাশি এত মানুষের ভিড়ে দাঁড়িয়ে টিকা নিতে গিয়েও করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। এরপরই কেন্দ্রের তরফে গত সপ্তাহে ঘোষণা করা হয়, শর্ত সাপেক্ষে বাড়িতে গিয়েও টিকা দেওয়া যাবে।

নীতি আয়োগের সদস্য ড. ভিকে পাল জানান, “যাঁরা টিকাকরণ কেন্দ্রে যেতে অক্ষম, তাঁদের জন্য আমরা বাড়িতে গিয়ে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। যাঁরা শারীরিকভাবে অক্ষম বা যাঁরা যাতায়াত করতে পারেন না, তাঁদের জন্য এই পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে ইতিমধ্যেই।”

এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ বলেন, “আমরা বুঝতে পারছি যে এমন অনেক মানুষ আছেন যাঁরা শয্যাশায়ী, যাঁদের যাতায়াত করার ক্ষমতা নেই। টিকাকরণ কেন্দ্রে যেতে যাঁরা অক্ষম। তাঁদের তালিকা তৈরিরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা স্তরে তৈরি করতে হবে সেই তালিকা।”

কিন্তু রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর প্রথম থেকেই দুয়ারে টিকাকরণে বিরুদ্ধে। মাস দু’য়েক আগে কসবায় ভুয়ো ভ্যাকসিনকাণ্ড নিয়ে বাংলা যখন তোলপাড়, সেই সময়ই স্বাস্থ্য ভবনের তরফে কড়া নির্দেশ এসেছিল, কেউ ব্যক্তিগত উদ্যোগে টিকাকরণ শিবির করতে পারবেন না। একই সঙ্গে তাদের নির্দেশ ছিল, বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোনও মতেই টিকা দেওয়া যাবে না। স্বাস্থ্য ভবনের অনড় মনোভাবের জন্য কলকাতা পুরসভা এলাকায় বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে বাড়িতে টিকাকরণের ভাবনা চিন্তা করা হলেও, পরবর্তী কালে তা বাতিল করতে হয়। এবার  বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকাকরণ নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তেও একই অবস্থান রাজ্যের।

আরও পড়ুন: Sukanta Majumdar: কলকাতা পুলিশের ডিসি সাউথের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ রাজ্য বিজেপি সভাপতির

 

Read Full Article

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla