
রোজের পাতে মাছ-মাংস না থাকলেও ডাল থাকবেই। যে আমিষ খাবার খান না, তাঁদের দেহে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণের ভরসা একমাত্র ডাল। তাই এই খাবারকে একেবারেই বাদ দেওয়া যায় না।

পুষ্টিতে ভরপুর হয় ডাল। প্রোটিন, ফাইবারের পাশাপাশি ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক ও আয়রনের মতো বিভিন্ন উপাদান পাওয়া যায় ডালে। ডাল খেলে দেহে পুষ্টির ঘাটতি হবে না।

ডাল খাওয়াতে কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু বর্ষাকালে সব ধরনের ডাল খাওয়া যায় না। শুনতে অদ্ভুত লাগছে? এমন ৩টি ডাল রয়েছে, যা বর্ষাকালে খেলে মুশকিলে পড়তে পারেন।

বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতা পরিমাণ বেশি থাকে। এই সময় খাওয়া-দাওয়া নিয়ে সচেতন না থাকলে গ্যাস, অম্বল, ব্লোটিং হতে পারে। ডাল খাওয়াতেও এমন সমস্যা কিন্তু দেখা দিতে পারে।

ডালের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। দেহে ফাইবারের পরিমাণ বেড়ে গেলে বদহজমের সমস্যা দেখা দেয়। পেট ফাঁপার সমস্যা দেখা দেয়। শরীরে অস্বস্তি তৈরি হয়।

বিউলির ডাল, পোস্ত অনেকের প্রিয় খাবার। কিন্তু বর্ষাকালে এতি খাবেন না। বিউলির ডালে প্রোটিন, আয়রন ও ফাইবার রয়েছে। অত্যধিক পরিমাণে বিউলি ডাল খেলে ব্লোটিং হতে পারে।

রাজমা ভাল করে সেদ্ধ করে না খেলে কিন্তু হজমের সমস্যা দেখা দেয়। এই ডালের মধ্যে প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন, কপার ও পটাশিয়াম রয়েছে। বর্ষাকালে রাজমা খেলে বদহজম হতে পারে।

লুচি-ছোলার ডাল খেতে ভালবাসেন? বর্ষাকালে এই ডাল না খাওয়াই ভাল। ছোলার ডাল উপকারী হলেও এই মরশুমে খেলে গ্যাস, ব্লোটিংয়ের সমস্যা দেখা দিতে পারে।