রোজ তীব্র আওয়াজে ভাঙছে গভীর ঘুম, বিগড়ে যাচ্ছে ব্রেন

Sleeping Tips: বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমন্ত কোনও ব্যক্তিকে যখনই জোরে ডাকা হয়, তখন মস্তিষ্কের উপর চাপ পড়ে। ফলে পরবর্তীকালে গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনি যখনই কাউকে ঘুমোতে দেখবেন, তাকে হঠাৎ করে জাগাবেন না। এমনকী যদি আপনার সঙ্গেও এমন কেউ করে, তবে তাকে সাবধান করে দেওয়াই শ্রেয়।

| Updated on: Feb 06, 2024 | 2:18 PM
গভীর ঘুম ঘুমচ্ছেন। আর হঠাৎ করে কেউ খুব জোরে আওয়াজ করে আপনাকে ডেকে দিল। ফলে আপনি তার আওয়াজে ধরফরিয়ে উঠে গেলেন। এমনটা নিশ্চয়ই অনেকবার হয়েছে।

গভীর ঘুম ঘুমচ্ছেন। আর হঠাৎ করে কেউ খুব জোরে আওয়াজ করে আপনাকে ডেকে দিল। ফলে আপনি তার আওয়াজে ধরফরিয়ে উঠে গেলেন। এমনটা নিশ্চয়ই অনেকবার হয়েছে।

1 / 8
কিন্তু এবার থেকে কেউ এমনটা করলে, তাকে সাবধান করুন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমন্ত কোনও ব্যক্তিকে যখনই জোরে ডাকা হয়, তখন মস্তিষ্কের উপর চাপ পড়ে। ফলে পরবর্তীকালে গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কিন্তু এবার থেকে কেউ এমনটা করলে, তাকে সাবধান করুন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমন্ত কোনও ব্যক্তিকে যখনই জোরে ডাকা হয়, তখন মস্তিষ্কের উপর চাপ পড়ে। ফলে পরবর্তীকালে গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে।

2 / 8
বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন কেউ গভীর ঘুমে থাকে তখন তার মস্তিষ্ক খুব সক্রিয় থাকে। ঘুমের সময়, মস্তিষ্ক অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যেমন শরীরের কোষ সচল রাখা এবং নতুন স্মৃতিকে সংরক্ষণ করা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন কেউ গভীর ঘুমে থাকে তখন তার মস্তিষ্ক খুব সক্রিয় থাকে। ঘুমের সময়, মস্তিষ্ক অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যেমন শরীরের কোষ সচল রাখা এবং নতুন স্মৃতিকে সংরক্ষণ করা।

3 / 8
এবার হঠাৎ যদি সেই ব্যক্তি কোনও আওয়াজ পেয়ে জেগে ওঠে, তবে মস্তিষ্কের উপর চাপ পড়ে। কারণ মস্তিষ্ক হঠাৎই কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এই মানসিক চাপের ফলে মস্তিষ্কের রক্তনালীতে ফাটল দেখা দেয়।

এবার হঠাৎ যদি সেই ব্যক্তি কোনও আওয়াজ পেয়ে জেগে ওঠে, তবে মস্তিষ্কের উপর চাপ পড়ে। কারণ মস্তিষ্ক হঠাৎই কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এই মানসিক চাপের ফলে মস্তিষ্কের রক্তনালীতে ফাটল দেখা দেয়।

4 / 8
একটা সময় পরে রক্তনালী ফেটে গিয়ে মস্তিষ্কের ভিতরেই রক্তপাত শুরু হয়, যাকে ব্রেন হেমারেজ বলে। কখনও কখনও মস্তিষ্ক এতটাই খারাপভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে, ব্যক্তি অক্ষম হয়ে যেতে পারে বা এমনকি মারাও যেতে পারে।

একটা সময় পরে রক্তনালী ফেটে গিয়ে মস্তিষ্কের ভিতরেই রক্তপাত শুরু হয়, যাকে ব্রেন হেমারেজ বলে। কখনও কখনও মস্তিষ্ক এতটাই খারাপভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে, ব্যক্তি অক্ষম হয়ে যেতে পারে বা এমনকি মারাও যেতে পারে।

5 / 8
অনেক সময় মস্তিষ্কের যে কোনও স্নায়ুতে ব্লকেজ থাকলে ব্রেন হেমারেজ হয়। এই ব্লকেজ মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ করতে পারে না। মস্তিষ্কের অংশ বা সমস্ত কাজ বন্ধ করে দিতে পারে।

অনেক সময় মস্তিষ্কের যে কোনও স্নায়ুতে ব্লকেজ থাকলে ব্রেন হেমারেজ হয়। এই ব্লকেজ মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ করতে পারে না। মস্তিষ্কের অংশ বা সমস্ত কাজ বন্ধ করে দিতে পারে।

6 / 8
যদি এই ব্লকেজটি খোলা না হয়, তবে এটি শিরা ফেটে যেতে পারে, অর্থাৎ ব্রেন হেমারেজ (Brain Hemorrhage) হতে পারে। ব্রেন হেমারেজ এই রোগের শেষ পর্যায়। আর তা এই ঘুম থেকে হঠাৎ জাগার কারণেও হতে পারে।

যদি এই ব্লকেজটি খোলা না হয়, তবে এটি শিরা ফেটে যেতে পারে, অর্থাৎ ব্রেন হেমারেজ (Brain Hemorrhage) হতে পারে। ব্রেন হেমারেজ এই রোগের শেষ পর্যায়। আর তা এই ঘুম থেকে হঠাৎ জাগার কারণেও হতে পারে।

7 / 8
অনিয়মিত জীবনযাত্রা, পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া, অতিরিক্ত ধূমপান ও মদ্যপান অ্যসিডিটি হওয়ার অন্যতম কারণ। এছাড়া গ্যাস্ট্রো সমস্যা বা লিভার আলসার থাকলে অ্যাসিডিটির সমস্যা বেড়ে যায়

অনিয়মিত জীবনযাত্রা, পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া, অতিরিক্ত ধূমপান ও মদ্যপান অ্যসিডিটি হওয়ার অন্যতম কারণ। এছাড়া গ্যাস্ট্রো সমস্যা বা লিভার আলসার থাকলে অ্যাসিডিটির সমস্যা বেড়ে যায়

8 / 8
Follow Us: