
ঠিক কী বলা যায়! প্রবল চাপের মুখে একটা স্বস্তির বাউন্ডারি! অজি সফরের আগে থেকেই ব্যাপক চাপে বিরাট কোহলি। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ক্লিনসুইপ। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যদিও জিতেছিল ভারত। তবে গত এক বছরে বিরাট কোহলির টেস্ট পারফরম্যান্স স্ক্যানারে। ঘরের মাঠে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড মিলিয়ে পাঁচ টেস্টে মাত্র একটা হাফসেঞ্চুরির ইনিংস। অস্ট্রেলিয়ায় পারথ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যর্থতা। দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর একটি স্ট্রেট ড্রাইভে মুগ্ধ অজি শিবিরও। ভিডিয়ো দেখলে আরও ভালো অনুভূতি হবে।
ম্যাচের দ্বিতীয় দিন লোকেশ রাহুল ও যশস্বী জয়সওয়ালের অবিচ্ছিন্ন জুটি। বড় রানের ইঙ্গিত ছিল ভারতীয় শিবিরে। তৃতীয় দিনও শুরু থেকেই অনবদ্য ব্যাটিং। যদিও লোকেশ রাহুল ফিরলেন ৭৭ রানে। যশস্বী জয়সওয়াল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্টেই সেঞ্চুরিতে সচিন, বিরাটকে ছুঁয়েছেন। তিনে নামা দেবদত্ত ও যশস্বী জুটি ভালোই চলছিল। ডাগআউটে ব্যাটিংয়ের অপেক্ষায় ছিলেন বিরাট কোহলি। লাঞ্চের পর প্রথম ডেলিভারিতেই আউট দেবদত্ত পাড়িক্কল। ক্রিজে প্রবেশ কিং কোহলির।
শুরু থেকেই অ্যাক্টিভ দেখায় বিরাটকে। চেষ্টা করছিলেন দ্রুত রানের খাতা খোলার। একটা সিঙ্গল নিতেই গ্যালারিতে গর্জন। কিন্তু আসল আনন্দটা হল কিছু পর। অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বোলিংয়ে অনবদ্য় একটা স্ট্রেট ড্রাইভে বাউন্ডারি বিরাট কোহলির। ইনিংসের শুরুতেই বিরাটের ব্যাটে এমন ড্রাইভ দেখে অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা এই সিরিজের অন্য়তম ধারাভাষ্যকার ক্যারি ও’কিফ মুগ্ধ। ২০১৮ সালের সেই ভিন্টেজ কোহলিকে যেন খুঁজে পেলেন।
বিরাটের ড্রাইভ নিয়ে বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া শিবিরে আজ আতঙ্ক হয়ে দাঁড়াতে পারে বিরাট কোহলি। দ্বিতীয় ইনিংসে ও বড় রানের কথাই ভাবছে। আজকের পিচে ব্যাটিংটা হয়তো একটু ভালো হবে। কাল পিচ কঠিন হতে পারে। আজ ইন্ডিয়া পুরো দিনই ব্যাট করতে পারে।’