
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ। দুটো ভিন্ন মুহূর্ত। ওয়ান ডে বিশ্বকাপের সময় প্রধানমন্ত্রীর দেখা হয়েছিল, এক ভাঙাচোরা, হতাশ ভারতীয় দলের। এ বার দেখা হল, চ্যাম্পিয়ন হিসেবে। স্বাভাবিক ভাবেই পরিস্থিতিটাও আলাদা। বৃহস্পতিবার সকালে দেশে ফিরেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বজয়ী ভারতীয় দল। বার্বাডোজ থেকে চার্টার্ড ফ্লাইটে ১৬ ঘণ্টার যাত্রায় নয়াদিল্লি। টিম হোটেলে কিছুক্ষণ কাটিয়েই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় দলের সকলেই। সঙ্গে ছিলেন বোর্ডের শীর্ষকর্তারাও। সেখানে প্রধানমন্ত্রী সকল ক্রিকেটারদের সঙ্গেই কথা বলেন। প্রশ্নও করেন। এমনই একটা প্রশ্ন ধেয়ে এল ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মার দিকে। সেই প্রশ্নে সকলের মুখেই হাসি ফুটল।
বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ট্রফি জিতে যান ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা। তবে তিনি একটা বিশেষ মুভ করেছিলেন। ক্রীড়া বিশ্বে যা মূলত রিক ফ্লেয়ার স্ট্রুট নামে পরিচিত। কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিও এমনটা করেছিলেন। গত আইপিএলেও তা দেখা যায় কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারকে করতে। বিশ্বকাপ ট্রফি নিতে রোহিত শুধুই হেঁটে যাবেন! সতীর্থরা এটা চাননি। প্রধানমন্ত্রীও সেই মুভ দেখেছেন। এর সঙ্গে নাচের স্টেপের মিল রয়েছে। স্লো মোশনে হেঁটে যাওয়া। ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনায় ক্য়াপ্টেন রোহিত শর্মাকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘ওই নৃত্যটা কার আইডিয়া ছিল’।
প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, ‘রোহিত সকল দেশবাসীই হয়তো লক্ষ্য করেছে, তোমাদের আবেগ, তুমি যে ভাবে ট্রফি নিতে গেলে। ওই নৃত্যটা কার আইডিয়া ছিল?’ ক্রিকেটারদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনার জন্যই যে এ ভাবে প্রশ্ন বলাই যায়। রোহিত জবাবে বলেন, ‘স্যার, এই দিনটার জন্য আমরা বহু বছর অপেক্ষা করেছি। দলের সকলেই আমাকে বলে, আমি যেন সাধারণ ভাবে হেঁটে গিয়ে ট্রফিটা না নিই। কিছু ব্যতিক্রমী করতে হত।’
আলোচনার শুরুর দিকে চাহালকে দেখে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, চাহাল এত সিরিয়াস কেন? হরিয়ানার সকলেই তো সবসময় হাসিখুশি থাকে। রোহিতের এই জবাব শুনে মোদী জানতে চান, সতীর্থ বলতে এই ব্যতিক্রমী আইডিয়া চাহালেরই ছিল কিনা। রোহিত জবাবে বলেন, ‘চাহাল এবং কুলদীপ দু-জনে মিলেই এই আইডিয়া দিয়েছিল।’