Purba bardhaman: অনশন মঞ্চ থেকে ‘হাতসাফাই’ হয়ে গেল তৃণমূল নেতার মোবাইল
TMC: সিধু কানুর ছবিতে মালা ও প্রণাম করেই এক সপ্তাহ আগে অনশন শুরু করেন দেবু টুডু। আর এক সপ্তাহ পর সিধু কানুর ছবিতে প্রণাম করেই দেবুর মোবাইল নিয়ে চম্পট দিলেন তস্কর যুবক। তবে স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে।

বর্ধমান: এসআইআর-এ আদিবাসীদের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে তিনি অনশনে বসেছেন। আর সেই অনশন মঞ্চে এসে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের এসটি সেলের চেয়ারম্যান দেবু টুডুর মোবাইল নিয়ে চম্পট দিলেন এক যুবক। শনিবার এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান শহরে। দিনদুপুরে এমন ঘটনায় হতবাক তৃণমূল নেতা।
পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের দফতরের সামনে নেতাজি মূর্তির পাদদেশে অনশনে বসেছেন দেবু টুডু। এসআইআর-এ আদিবাসীদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে বলে তাঁর অভিযোগ। আদিবাসীদের হয়রানির অভিযোগও তুলেছেন তিনি। শনিবার সপ্তম দিনে পড়েছে তাঁর অনশন। তৃণমূল নেতার অনশন মঞ্চে অনেকে আসছেন।
দেবু টুডু বলেন, এদিন এক যুবক অনশন মঞ্চে তাঁর পাশে এসে বসেন। পরে সিধু–কানুর ছবিতে প্রণাম করে সুযোগ বুঝে তাঁর মোবাইল ফোনটি নিয়ে চম্পট দেয়। বিছানার পাশেই তাঁর মোবাইল ফোনটি ছিল। ছুটে পালানোর সময় বিষয়টি নজরে এলে চিৎকার শুরু হয়। কালো গেঞ্জি পরা ওই যুবক ভিড়ের মধ্যেই পালিয়ে যান। দেবু টুডু বলেন, পুলিশ বিষয়টি দেখছে। মোবাইল চুরি হলেও নিজের অনশন চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে অনড় তিনি।
সিধু কানুর ছবিতে মালা ও প্রণাম করেই এক সপ্তাহ আগে অনশন শুরু করেন দেবু টুডু। আর এক সপ্তাহ পর সিধু কানুর ছবিতে প্রণাম করেই দেবুর মোবাইল নিয়ে চম্পট দিলেন তস্কর যুবক। তবে স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে। দিনেদুপুরে তৃণমূল নেতার অনশন মঞ্চ থেকে যদি মোবাইল চুরি হয়, তাহলে শহরে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা কোথায়, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
