রক্তে ভাসছে রাস্তা, ছড়িয়ে ছিটিয়ে চটি-সাইকেল! পরস্ত্রী ‘প্রেমিকা’র রক্তাক্ত দেহের পাশে বসে ‘প্রেমিক’

মৃতের বোনের দাবি, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিল দুই সন্তানের মা অঞ্জনা। কিন্তু তাতে রাজি ছিলেন না বিষ্ণুপুরের (Bishnupur) শুভেন্দু।

রক্তে ভাসছে রাস্তা, ছড়িয়ে ছিটিয়ে চটি-সাইকেল! পরস্ত্রী 'প্রেমিকা'র রক্তাক্ত দেহের পাশে বসে 'প্রেমিক'
নিহতের বোন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রক্তাক্ত প্রেমিকার মৃতদেহের পাশে বসে প্রেমিক। বিষ্ণুপুর থানার গাংরাইয়ের ঘটনায় চাঞ্চল্য এলাকায়। মৃত অঞ্জনা মণ্ডলের পরিবারের অভিযোগ, এটি খুনের ঘটনা। অভিযোগের আঙুল ‘প্রেমিক’ শুভেন্দু মণ্ডলের দিকে। মৃতের বোনের দাবি, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিল দুই সন্তানের মা অঞ্জনা। কিন্তু তাতে রাজি ছিলেন না শুভেন্দু। অঞ্জনাকে খুনের হুমকিও দিতেন বলে অভিযোগ। এরইমধ্যে শনিবার সকালে কাজে বেরিয়েছিলেন অঞ্জনা। গাংরাই স্কুলের কাছে পেটে ছুরি মারা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।

অঞ্জনা মণ্ডল গাংরাইয়ের বাসিন্দা। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, বেশ কয়েক মাস ধরেই প্রেমের সম্পর্ক থেকে ছেড়ে বেরোতে চাইছিলেন ওই গৃহবধূ। তা নিয়ে শুভেন্দুর সঙ্গে মাঝেমধ্যেই অশান্তি চলছিল। কাজে যাবেন বলে, শনিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হন অঞ্জনা। সোনারপুরের নাঙ্গলবেরিয়ায় কাজ করতেন তিনি। সেখানে যাওয়ার পথে গাংরাই স্কুলের কাছে পেটে ছুরি মারা হয় তাঁকে। ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এরপরই স্থানীয়রা চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। দেখেন, অঞ্জনার পাশে বসে ‘প্রেমিক’ শুভেন্দু। স্থানীয়রাই বিষ্ণুপুর থানায় খবর দেয়। মৃতদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: উত্তাল সাগরে হঠাৎই জল ঢুকতে শুরু করল ট্রলারে, প্রাণে বাঁচতে ত্রাহি রবে চিৎকার মৎস্যজীবীদের

অঞ্জনার বোন অঞ্জলির অভিযোগ, পরিবারের তরফ থেকে বেশ কয়েকবার শুভেন্দুকে এই সম্পর্ক ছেড়ে বেরোনোর জন্য অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তা না শুনে প্রায়ই অঞ্জনাকে প্রাণনাশের হুমকি দিতেন। বেশ কয়েকদিন ধরেই অন্যত্র গিয়ে নতুন ঘর বাঁধার জন্য চাপও দিচ্ছিলেন। কিন্তু দুই সন্তানকে ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে চাননি মা। এ নিয়ে অশান্তি চরমে ওঠে। অঞ্জলির দাবি, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাওয়ারই খেসারত দিতে হল দিদিকে।

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla