Rashmika Mandanna: রশ্মিকাকে ‘না’ বলতে শেখাচ্ছেন বিজয়! দাম্পত্যের কোন গোপন কথা ফাঁস হয়ে গেল?

Bollywood gossip: 'কফি উইথ করণ'-এ এসে নিজের এই অস্বস্তির কথা সোজাসাপটা জানালেন অভিনেত্রী। আর এই মানসিক দোটানায় যোগ্য সঙ্গীর মতো তাঁর পাশে দাঁড়ালেন স্বামী বিজয় দেবেরাকোন্ডাও। কী বলেছেন তারকা জুটি?

Rashmika Mandanna: রশ্মিকাকে না বলতে শেখাচ্ছেন বিজয়! দাম্পত্যের কোন গোপন কথা ফাঁস হয়ে গেল?
কী বলেছেন তারকা জুটি?

Oct 22, 2026 | 11:45 AM

সিনেমার পর্দায় নায়িকাদের গ্ল্যামারাস রূপে দেখে মুগ্ধ হন দর্শকরা। অনেক সময়ই চিত্রনাট্যের খাতিরে এমন পোশাক পরতে হয়, যা নিয়ে ভেতরে ভেতরে চরম অস্বস্তিতে ভোগেন অভিনেত্রীরা। এবার সেই না-বলা অস্বস্তি নিয়েই মুখ খুললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রশ্মিকা মন্দানা (Rashmika Mandanna)। সম্প্রতি ‘কফি উইথ করণ’-এর নবম সিজনে স্বামী বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে হাজির হয়েছিলেন তিনি। আর সেখানেই খোলামেলা পোশাক এবং বিকিনি পরার বিষয়ে নিজের কড়া আপত্তির কথা জানিয়ে দিলেন ‘পুষ্পা’ খ্যাত এই নায়িকা।

পোশাক নিয়ে কোথায় আপত্তি রশ্মিকার?

সম্প্রতি তেলুগু ছবি ‘পেড্ডি’-তে জাহ্নবী কাপুরের একটি দৃশ্য নিয়ে জোর বিতর্ক চলছে। সেই ছবিতে আপত্তিকর ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল এবং অসম্মতির চুম্বন দৃশ্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ঠিক এই আবহেই অভিনেতাদের নিজের অস্বস্তি প্রকাশের অধিকার নিয়ে সরব হলেন রশ্মিকা। বাণিজ্যিক সিনেমায় অনেক সময়ই গ্ল্যামার বাড়াতে অভিনেত্রীদের খোলামেলা পোশাক পরতে হয়। কিন্তু রশ্মিকা স্পষ্ট জানান, তিনি এই বিষয়ে একেবারেই স্বচ্ছন্দ নন।

অভিনেত্রী সোজাসাপটা বলেন, “এমন কিছু বিষয় আছে, যেগুলো নিয়ে আমি একেবারেই স্বচ্ছন্দ নই। আমি জানি কিছু চরিত্রের প্রয়োজনে বিকিনি বা ওই ধরনের খোলামেলা পোশাক পরতে হয়। কিন্তু তারপরও বলব, ওইভাবে ক্যামেরার সামনে খোলামেলা পোশাক পরতে বা শরীর দেখাতে আমার ভীষণ অস্বস্তি হয়। আমি একেবারেই ওই ধরনের মানুষ নই।”

কাজের ক্ষেত্রে নিজের একটা গণ্ডি টেনে রাখতে ভালোবাসেন নায়িকা। তিনি আরও বলেন, “কমার্শিয়াল ছবি করার সময় এমন অনেক পোশাক থাকে, যা পরে আপনি পুরোপুরি স্বচ্ছন্দ নাও হতে পারেন। কিন্তু আমি নিজের জন্য একটা লক্ষ্মণরেখা টেনে রাখি। বেশিরভাগ সময়ই পরিচালকদের এতে কোনও সমস্যা থাকে না, আর আমি এমন মানুষদের সঙ্গেই কাজ করতে পছন্দ করি।”

এই বিষয়ে কী বলেছেন বিজয়?

স্ত্রীয়ের এই মানসিক চাপের কথা খুব ভালো করেই বোঝেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। তাঁর মতে, পরিচালকদের মুখের ওপর ‘না’ বলাটা তারকাদের জন্যও খুব একটা সোজা কাজ নয়। তিনি বলেন, “এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা আজও বেশ চ্যালেঞ্জিং। কাজটা কঠিন।”

অভিনেতারা কীভাবে মানসিক চাপের মুখে পড়ে এমন দৃশ্যে রাজি হন, সেটা বুঝিয়ে বলেন বিজয়। তিনি বলেন, “না বলার জন্য একটা সাপোর্ট সিস্টেম দরকার। চারপাশের মানুষজন আপনাকে এমন একটা অনুভূতি দেবে যেন, ‘আপনি তো অভিনেত্রী। আপনি এই ছবিটা সই করেছেন। এটাই তো আপনার কাজ। আমি তো খুব বেশি কিছু চাইছি না।’ তখন আপনি নিজের উপর একটা চাপ অনুভব করবেন যে, ‘আমি কি পেশাদার নই? আমি কি নিজের কাজটা ঠিকমতো করছি না?’ যখন ওরা আপনাকে অপেশাদার বলে অনুভব করাবে, তখন আপনি ভাববেন, ‘ঠিক আছে, বিষয়টা নিয়ে আর জলঘোলা করে লাভ নেই। আশা করি সব ঠিক থাকবে।’ তখন অনেকে অনিচ্ছা সত্ত্বেও রাজি হয়ে যান।”

পরিচালকদের মুখের ওপর সরাসরি ‘না’ বলাটা বাস্তবে বেশ কঠিন কাজ। রশ্মিকা জানান, যখনই তিনি এমন দোটানায় ভোগেন, তখন বিজয় তাঁকে সবচেয়ে বেশি সাহস জোগান। অভিনেত্রী বলেন, “মাঝে মাঝে বলতে ইচ্ছে করে ‘আমি এটা করতে চাই না’। তখন বিজয়ের সঙ্গে আমাকে অনেকটা কথা বলতে হয়। আমি বলি, ‘আমি সত্যিই এটা বলতে চাই’, আর ও বলে ‘তুমি পারবে বলতে। অবশ্যই তোমার বলা উচিত’।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us