Vijay Devarakonda at WITT2025: দক্ষিণী সিনেমার সঙ্গে লড়তে কি কৌশল বদলাচ্ছে বলিউড?
TV9 নেটওয়ার্কের মেগা কনক্লেভ ‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে’-এর তৃতীয় সংস্করণ। এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দিল্লির ভারত মণ্ডপমে এই দুই দিনের অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছে। টিভি ৯ নেটওয়ার্কে এই অনুষ্ঠানেই উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার বিজয় দেবেরাকোন্ডা।

শুরু হয়েছে TV9 নেটওয়ার্কের মেগা কনক্লেভ ‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে’-এর তৃতীয় সংস্করণ। এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দিল্লির ভারত মণ্ডপমে এই দুই দিনের অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার প্রথম দিনে টিভি ৯ নেটওয়ার্কে এই অনুষ্ঠানেই উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার বিজয় দেবেরাকোন্ডা। অনুষ্ঠানের মঞ্চেই দেখানো হল তাঁর আগামী ছবি সাম্রাজ্য-র হাইভোল্টেজ টিজার। এই ছবির হিন্দি সংস্করণের টিজারে কণ্ঠ দিয়েছেন রণবীর কাপুর।
ইদানিং নজরে পড়েছে হিন্দি সিনেমা ও দক্ষিণী সিনেমার মধ্য়ে এক মেলবন্ধন। রণবীর কাপুর, শাহরুখ খান, সলমন খান সবাই দক্ষিণী পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। সেই ছবি ব্লকবাস্টারও হচ্ছে, তাঁর হাতেনাতে প্রমাণ শাহরুখের জওয়ান এবং রণবীরের অ্য়ানিম্য়াল। দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ও বলিউডের এই মেলবন্ধনকে সাধুবাদ জানালেন অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা।
বেশ কয়েক বছর ধরেই দক্ষিণী ছবি গোটা ভারতবর্ষের বক্স অফিসকে হাতের মুঠোয় রেখেছে। বাহুবলী, কেজিএফ, পুষ্পা তার জলজ্য়ান্ত প্রমাণ। এমনকী, দক্ষিণী ছবির দাপটে বলিউড বেশ কোণঠাসাও। ফিল্ম সমালোচকরা মনে করছেন, দক্ষিণী ছবির ঝড় থেকে নিজেকে বাঁচাতে বলিউড এখন নিজেদের কৌশল বদলাতে তৎপর। গল্প বলার ধরন বদলে, টেকনোলজি বদলে বলিউডও দক্ষিণী ছবির সঙ্গে লড়াইয়ে তৈরি। বলিউডের এই কৌশল বদলকে কীভাবে দেখছেন বিজয়?
TV9 নেটওয়ার্কের মেগা কনক্লেভ ‘হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে’র মঞ্চে বসেই বিজয় জানালেন, এই দুনিয়াটাই হল জমি দখলের জন্য লড়াইয়ের, ভালোবাসা পাওয়ার জন্য লড়াইয়ের, ভালো কাজের জন্য প্রাণপণ লড়ে যাওয়ার। একথা সব ইন্ডাস্ট্রির জন্যই সত্য। বলিউডও খুব ভালো কাজ করছে। দারুণ দারুণ ছবি উপহার দিচ্ছে। যা বিশ্বমঞ্চেও সমাদৃত। তবে হ্য়াঁ, দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বরাবরই ঝুঁকি নেয়। একজন নায়ক একটা ছবির জন্য ৫ বছর ধরে নিজেকে তৈরি করে, অন্য়ান্য সব ছবির অফার ছেড়ে। পরিচালক ৫ বছর ধরে একটা ছবির স্বপ্ন দেখতে থাকে। তারপর তৈরি হয় বাহুবলী। এরকম ঝুঁকি তো নিতেই হবে। দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ছবির কনটেন্টও নিয়েও যথেষ্ট সচেতন ও এক্সপেরিমেন্ট করে। প্রচুর ভালো পরিচালক রয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে। টেকনোলজি আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে এআই। অনিরুদ্ধর আবহসঙ্গীত শোনার জন্য এখন দর্শকরা বসে থাকেন। আমার সাম্রাজ্য ছবিতেও রয়েছে তাঁর সঙ্গীত। বলিউডও নিজের মতো করে বদলাচ্ছে, সেটা সত্য়িই ভালো। তবে দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি এখন ভালো সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, তা সত্য়িই গর্ব করার মতো বিষয়। কিন্তু সবার উপরে, বলিউড হোক বা দক্ষিণী ছবি, তা আসলে ভারতীয় ছবিই।





