Adhir Chowdhury: ‘আপনার অবদান শুধু বিজেপি-র ৭৮ বিধায়ক’ ফের মমতাকে আক্রমণ অধীরের

Adhir Chowdhury: অধীরের কটাক্ষ, "মমতার ঢপের অনশন। কংগ্রেসকে উনি হত্যা করেছেন। আপনার অবদান শুধু বিজেপির ৭৮ বিধায়ক।''

Adhir Chowdhury: 'আপনার অবদান শুধু বিজেপি-র ৭৮ বিধায়ক' ফের মমতাকে আক্রমণ অধীরের
ফের মমতাকে আক্রমণে অধীর। অলংকরণ: অভীক দেবনাথ।

কলকাতা: ফের কংগ্রেস (Congress) কে আক্রমণ করে শুক্রবার তৃণমূলের (TMC) দলীয় মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’ (Jago Bangla)-য় প্রকাশিত হয়েছে আরেকটি প্রতিবেদন। সেখানে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় কটাক্ষ করে লিখেছেন, নিজেদের দলের সমস্যা সমাধানে এতটাই মগ্ন কংগ্রেস যে ভোট রাজনীতির ময়দানে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেনি তারা।

একইসঙ্গে বিরোধী জোটেরও ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই তাঁরা কিছু ভাবছেন না বলে জানিয়েছেন সুখেন্দুবাবু। আর এই প্রেক্ষিতে তৃণমূল সুপ্রিমোকে ফের একহাত নিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury)। মমতাকে আক্রমণ করে অধীরের মন্তব্য, যার খান তার থালাই ফুটো করেন।

এদিন অধীরের কটাক্ষ, “মমতার ঢপের অনশন। কংগ্রেসকে উনি হত্যা করেছেন। আপনার অবদান শুধু বিজেপির ৭৮ বিধায়ক।” এর পর ফের মোদী ও মমতার যোগসাজশের অভিযোগ করেন অধীর চৌধুরী। বহরমপুরের সাংসদের কথায়, ‘মমতা ও মোদীর ভাষায় কিছু ফারাক পাই না।’ তার পর তার চাঁচাছোলা মন্তব্য়, ‘রাজনৈতিক জন্ম কোথায়? আপনি যাঁর খাবেন, তাঁর থালা ফুটো করবেন। কংগ্রেসকে আক্রমণ না করলে ভাত হজম হবে না। সমঝোতা ছাড়া আর কী?’

শুধু তাই নয়। কংগ্রেসকে ‘দম্ভে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল আক্রমণ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এদিন ‘জাগো বাংলা’য় সুখেন্দু শেখর লিখেছেন, আমরা ভেবেছিলাম দেশে কংগ্রেসের অস্তিত্ব আছে, সেজন্য তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু বাস্তবতা হল কংগ্রেস তাদের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে এতটাই জড়িয়ে পড়েছে যে তাদের কাছে অন্য বিষয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার সময় নেই। আর কংগ্রেসের লোকসভার বিরোধী নেতা অধীর চৌধুরী বলছেন, ‘কোনও ভোট কোনও নেত্রীর ফিক্সড ভোট নয়। আপনি (পড়ুন মমতা) দম্ভে এমন ভাবছেন কংগ্রেসকে…”

প্রসঙ্গত, অধীর ও মমতা ও তাঁর দলের তীব্র আক্রমণ ও প্রতি আক্রমণ শুরু হয়েছে কয়েকদিন আগে। ভবানীপুরের উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে মমতা বলেছিলেন, “সিপিএম বাংলায় কত বছর রাজনীতি করেছে? ৩৪ বছর। কত অন্যায় করেছে? ওদের বিরুদ্ধে সিবিআই মামলা করেছে? কিছু বলেনি। শুধু চিদাম্বরমের গায়ে হাত দিয়েছে। কিন্তু কংগ্রেসের মাথার গায়ে হাত দেয়নি।” সেখান থেকেই সূত্রপাত। এর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন অধীর। তার পর আবার তৃণমূলের মুখপত্রে আরও চাঁচাছোলা ভাষায় কংগ্রেসের সমালোচনা করা হয়। সেখান থেকেই চলছে তৃণমূল বনাম অধীরের তরজা।

এদিকে এদিনই তৃণমূলের সুরে সুর মিলিয়ে একটি টুইট করেছেন ঘাসফুল শিবিরের নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোর। সেখানেও কংগ্রেসকে বিরোধিতার সুর।

 

এ নিয়ে পাল্টা অধীরের কটাক্ষ, “প্রশান্ত কিশোর আমাদের গডফাদার নয়। তিনি ব্যবসাদার।” তার পরেই তাঁর চ্যালেঞ্জ, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কোনও রাজনৈতিক দলকে জেতানোর রেকর্ড কি প্রশান্ত কিশোরের আছে?

অধীরের কথায়, “নির্বাচনের পরেই আমরা বলেছিলাম, কংগ্রেস পার্টি হেরেছে এবং তৃণমূল জিতেছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর জয় হয়েছে। আমরা বলেছিলাম। এটাও বলেছিলাম কংগ্রেস হেরে গেলেও কংগ্রেস হারিয়ে যাবে না, তাই মানুষ যেন ভরসা রাখেন।”

আরও পড়ুন: Subrata Mukherjee: ‘বিধানসভায় এর চেয়ে অনেক খারাপ কথা হয়’, সব্যসাচী-বিতর্কে মন্তব্য সুব্রতর, প্রতিক্রিয়া দিলেন অধ্যক্ষও

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla