BJP MLA: স্কুল পরিদর্শকের অফিসে ঢুকে BJP MLA এর বিরুদ্ধে ‘দাদাগিরির’ অভিযোগ, তৃণমূল বলছে ‘অ্যাকশন’ নেওয়ার কথা

Hirak Mukherjee | Edited By: জয়দীপ দাস

Mar 29, 2025 | 11:36 AM

BJP MLA: কর্মীদের দাবি, অফিসের মধ্যে একটা কর্মব্যস্ত পরিবেশকে নষ্ট করেন বিধায়ক। বিধায়কের এমন দাদাগিরিতে আতঙ্কিত কর্মীরা। তাঁদের দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির এমন আচরন কাম্য নয়। তবে বিধায়ক দাদাগিরি অভিযোগ মানতে নারাজ।

BJP MLA: স্কুল পরিদর্শকের অফিসে ঢুকে BJP MLA এর বিরুদ্ধে ‘দাদাগিরির’ অভিযোগ, তৃণমূল বলছে ‘অ্যাকশন’ নেওয়ার কথা
চাপানউতোর রাজনৈতিক মহলে
Image Credit source: TV 9 Bangla

Follow Us

বাঁকুড়া: স্কুল পরিদর্শকের অফিসে ঢুকে বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে দাদাগিরির অভিযোগ। বিধায়কের থেকে এমন আচরণ কাম্য নয়, বলছেন অফিসের কর্মীরা। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়া স্কুল ডাঙ্গার জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর চলছে জেলার রাজনৈতিক মহলেও। দাদাগিরির অভিযোগ উঠেছে ছাতনা বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। তিনি আবার স্কুল শিক্ষকও বটে। 

সূত্রে খবর, শনিবার সেকেন্ডারি স্কুল পরিদর্শকের অফিসে আসেন ছাতনার বিজেপি বিধায়ক। একাধিক বিষয় নিয়ে চিৎকার শুরু করে দেন বলে জানাচ্ছেন অফিসের কর্মীরা। স্কুল পরিদর্শককে অসভ্য এবং অপদার্থ বলে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। অফিসের মধ্যেই তাঁর এই রুদ্র মেজাজ দেখে ছুটে আসেন অন্যান্য কর্মীরা। প্রতিবাদও করেন। 

কর্মীদের দাবি, অফিসের মধ্যে একটা কর্মব্যস্ত পরিবেশকে নষ্ট করেন বিধায়ক। বিধায়কের এমন দাদাগিরিতে আতঙ্কিত কর্মীরা। তাঁদের দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির এমন আচরন কাম্য নয়। তবে বিধায়ক দাদাগিরি অভিযোগ মানতে নারাজ। তাঁর পাল্টা দাবি, বহিরাগত লোকজন এনে অফিসের কর্মীরাই গায়ের জোর দেখিয়ে তাঁকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার রাজনৈতিক মহলেও চলছে চাপানউতোর। 

ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের শিক্ষক সমিতির নেতা গোরাচাঁদ কান্ত। তাঁর দাবি, ওই বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। উনি ঝামেলা করতেই এসেছিলেন অফিসে৷ এদিকে শালতোড়ার একটি স্কুলের শিক্ষক হিসাবে কাজ করছেন বিজেপি বিধায়ক সত্যনারায়ন মুখোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, পিএফ লোন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে এসেছিলেন। স্কুল পরিদর্শক বিশেষ কাজে ব্যস্ত থাকায় বাইরে অপেক্ষা করতে বলেন। অফিসের কর্মী দ্বীপ্রমান গঙ্গোপাধ্যায় জানাচ্ছেন তাতেই তিনি তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন। অফিসের কর্মীদের সঙ্গে ঝামেলা শুরু করে দেন। যদিও ডিআই অফিসের অব্যবস্থা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন ওই বিজেপি বিধায়ক। স্পষ্ট বলছেন, “এখানে এসে যদি একজন শিক্ষক-বিধায়কের এই অবস্থা হয় তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হবে ভাবুন।”