AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mamata Banerjee: ‘ভুল স্বীকার’ মমতার, ভোটের প্রচারে গিয়ে ‘ক্ষমা’ চাইলেন তৃণমূল সুপ্রিমো

Mamata Banerjee: অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় দেখা মেলে না সুজাপুরের বিধায়ক আবদুল গনির। আজ সুজাপুরের কালিয়াচকে মমতার সভাতেও তিনি অনুপস্থিত। আর তা নিয়ে বেশ বিরক্ত তৃণমূল সুপ্রিমো। প্রকাশ্য জনসভা থেকেই এবার আব্দুল গনির প্রসঙ্গে জন্য ক্ষমা চেয়ে নিলেন খোদ তৃণমূল নেত্রী।

Mamata Banerjee: 'ভুল স্বীকার' মমতার, ভোটের প্রচারে গিয়ে 'ক্ষমা' চাইলেন তৃণমূল সুপ্রিমো
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit: Facebook
| Edited By: | Updated on: Apr 28, 2024 | 5:20 PM
Share

মালদা: লোকসভা ভোটের প্রচারে গিয়ে এবার প্রকাশ্য সভা থেকে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় দেখা মেলে না সুজাপুরের বিধায়ক আবদুল গনির। আজ সুজাপুরের কালিয়াচকে মমতার সভাতেও তিনি অনুপস্থিত। আর তা নিয়ে বেশ বিরক্ত তৃণমূল সুপ্রিমো। প্রকাশ্য জনসভা থেকেই এবার আব্দুল গনির প্রসঙ্গে জন্য ক্ষমা চেয়ে নিলেন খোদ তৃণমূল নেত্রী। সুজাপুরবাসীর কাছে ‘ভুল স্বীকার’ করে নিলেন তিনি। জানিয়ে দিলেন, এবার থেকে সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অভিভাবক থাকবেন তিনিই। সুজাপুরের প্রতিনিধি হিসেবে বিশেষ দায়িত্ব দিলেন তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র আশিস কুণ্ডুকে।

মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো এদিন সুজাপুরের জনসভা থেকে বললেন, “প্রথমেই আপনাদের কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। কারণ, যদি কেউ ভুল ত্রুটি করে, তাতে যদি দলে কোনও অভিমান হয়… তাহলে মানুষের কাছে ভুল স্বীকার করে নেওয়া উচিত। আমি মনে করি মানুষই জনতা-জনার্দন। তাই আমি ভুল স্বীকার করছি।”

এরপরই সুজাপুরবাসীর উদ্দেশে মমতার সংযোজন, “বিধানসভা ভোটে আপনারা গনি সাহেবকে জিতিয়েছিলেন। আমরাও মালদাকে মর্যাদা দিয়ে তাঁকে ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান করেছি। কিন্তু তিনি এলাকায় আসতে সময় পান না। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম, এবার থেকে তাঁর কেন্দ্রটা আমি নিজে দেখব।” মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, সুজাপুরের দায়িত্বে থাকবেন তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র আশিস কুণ্ডু এবং বাকি দায়িত্বটুকু মমতাই দেখে নেবেন।

সুজাপুরবাসীর উদ্দেশে মমতার বার্তাকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়, ‘এসব শুনতে শুনতে, দেখতে দেখতে মানুষ ক্লান্ত। এর আগে ২০১৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, আগে জানলে এদের টিকিটই দিতাম না। পরে তাঁদেরই মন্ত্রী করে দলের বিভিন্ন পদে বসিয়ে দিলেন।’

Follow Us