AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

School: এক স্কুলেই চাকরি গেল ৩৬ জন শিক্ষকের, দিশাহারা হাজার হাজার পড়ুয়া

Murshidabad: এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অর্জুনপুর হাইস্কুলে টিআইসি বলেন, "প্রায় দশ হাজারের মতো পড়ুয়া রয়েছে এখানে। কুড়ি জন প্রথম যোগদান করেছিলেন। বাকি ষোলো জন ট্রান্সফার হয়ে এসেছেন। গ্রামীণ এলাকা হিসাবে প্রচুর ক্ষতি হবে।"

School: এক স্কুলেই চাকরি গেল ৩৬ জন শিক্ষকের, দিশাহারা হাজার হাজার পড়ুয়া
এই স্কুলেই চাকরি গিয়েছে এতজনেরImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 23, 2024 | 4:06 PM
Share

মুর্শিদাবাদ: সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে চাকরি গিয়েছে ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের। যার জেরে সমস্যায় পড়েছে স্কুলগুলি। বাদ যায়নি মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা ব্লকের অর্জুনপুর হাইস্কুলও। ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিলে অর্জুনপুর হাই স্কুলে চাকরি বাতিল হল ৩৬ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার। এ দিকে, প্রান্তিক এই স্কুলের এতজন পড়ুয়ার চাকরি চলে যাওয়ায় কপালে হাত পড়ুয়া থেকে অভিভাবকদের। ছেলে মেয়েদের ভবিষ্যত কী হবে চিন্তায় কুল-কিনারা করতে পারছেন না তাঁরা।

জানা গিয়েছে,ফরাক্কা অর্জুনপুর হাই স্কুলের মোট শিক্ষক ও শিক্ষিকার সংখ্যা ৬০। পার্শ্বশিক্ষক ৭ জন। মোট পড়ুয়া সংখ্যা প্রায় দশ হাজারের বেশি। বাতিল হওয়া শিক্ষক ও শিক্ষিকার সংখ্যা বাদ দিলে এখন মোট শিক্ষক ও শিক্ষিকার সংখ্যা ২৪ জন। যার সমস্যার মুখে ফরাক্কা অর্জুনপুর হাই স্কুল। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অর্জুনপুর হাইস্কুলে টিআইসি বলেন, “প্রায় দশ হাজারের মতো পড়ুয়া রয়েছে এখানে। কুড়ি জন প্রথম যোগদান করেছিলেন। বাকি ষোলো জন ট্রান্সফার হয়ে এসেছেন। গ্রামীণ এলাকা হিসাবে প্রচুর ক্ষতি হবে।” চাকরি হারানো এক শিক্ষক মহম্মদ ইসলাম বলেন, “২০২০ যোগদান করি। ট্রান্সফার হয়ে এসেছিলাম। চাকরি বাতিল হয়েছে। যারা অন্যায় করেছে তাদের বাতিল হয়েছে। কিন্তু আমাদের কী দোষ?”

উল্লেখ্য, সোমবার এসএসসি গ্রুপ-ডি, গ্রুপ-সি, নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ সাব্বির রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। সুপার নিউমেরিক পোস্টে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন তাঁদের সুদ সমেত বেতনও ফেরত দিতে হবে। সেক্ষেত্রে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে চার সপ্তাহ।

Follow Us