Manmohan Singh: কেমন ছিল মনমোহনী সংস্কার? কেন তাঁকে বলা হয় উদার অর্থনীতির ভগীরথ?
Manmohan Singh: দিনটা ছিল ২৪ জুলাই, সালটা ১৯৯১। মাত্র একমাস আগে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন নরসিমা রাও। রাজনীতির কারবারিদের অনেকেই বলেন আসলে রাজীব গান্ধীর মৃত্যুই প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসার সুযোগ করে দিয়েছিল রাজনীতি থেকে প্রায় অবসর নেওয়া নরসিমাকে। এই ১৯৯১ সালে, ভারত যখন একটি গুরুতর অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখোমুখি হয়েছিল, তখন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহনের কাঁধে তুলে দেন অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব।

কলকাতা: আধুনিক ভারতের অর্থনীতির রূপকারের বিদায়। গভীর শোকে জাতীয় রাজনীতি। ব্যতিক্রমী নেতাকে হারাল ভারত। ইতিমধ্যেই শোকবার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। শোকজ্ঞাপন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্য রাজনৈতিক নেতাদের। ১৯৯১ সালে প্রথমবার রাজ্যসভার সদস্য হন মনমোহন সিং। ‘উদার অর্থনীতিকরণের মুখ্য রূপকার’ বলা হয় মনমোহনকে। অনেকেই বলেন উদার অর্থনীতির যে রাস্তায় হেঁটে ভারত বর্তমানে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে গিয়েছে তার পিছনেও বড় অবদান রয়েছে মনমোহনেরই। ২০০৪ সালে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হন। ২০০৯ সালেও তিনি ফের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। সব মিলিয়ে ১০ বছর দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন। তবে তার আগেও ১৯৯৮-২০০৪ সাল পর্যন্ত লোকসভায় বিরোধী দলনেতা ছিলেন তিনি। অর্থনীতির খোলনলচে বদলে দেশ বদলের...
