Illegal Construction in Kolkata: ‘১৫ জুনের মধ্যে ছাড়তে হবে বাড়ি, না ছাড়লে ক্রিমিনাল কেস’, পুলিশকে ‘টাস্ক ফোর্স’ গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের
Illegal Construction in Kolkata: পুরনিগমের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, কোন কোন বাড়ির নির্মাণ বেআইনি, তা চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলি ভাঙার জন্য ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে কারণ, বাড়িগুলিতে বেআইনিভাবে রয়েছেন বাসিন্দারা। আর যে সব বাড়ির একাংশ ভেঙে ফেলা হচ্ছে, সেগুলি আবার বাসিন্দারা নির্মাণ করে ফেলছেন।

কলকাতা: শহর জুড়ে রয়েছে একাধিক বেআইনি নির্মাণ, অথচ সেগুলি নিয়ে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না! কেন কিছু করা যাচ্ছে না, সেই প্রশ্ন বারবার তুলেছে কলকাতা হাইকোর্ট। গার্ডেনরিচে বাড়ি ভাঙার পর যে জনস্বার্থ মামলা হয়, তাতে এবার কড়া নির্দেশ দিল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। কলকাতা পুরনিগম যদি বেআইনি বাড়ি ভাঙতে সমর্থ না হয়, তাহলে কলকাতা পুলিশের সাহায্য নিতে পারবে। এর জন্য কলকাতা পুলিশ বিশেষ টাক্স ফোর্স গঠন করবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হীরন্ময় ভট্টাচার্যের বেঞ্চে চলছিল মামলার শুনানি।
সম্প্রতি গার্ডেনরিচে একটি বাড়ি ভেঙে মৃত্যু হয়বেশ কয়েকজনের। অভিযোগ ওঠে, ওই বাড়ি বেআইনিভাবে নির্মাণ করা হচ্ছিল। এই মামলায় আগে প্রধান বিচারপতি পুরনিগমকে প্রশ্ন করেছেন, কেন বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হচ্ছে না? রাজনীতির অঙ্গুলিহেলনে প্রশাসন কাজ করছে কি না, এই প্রশ্নও উঠেছে। ইতিমধ্য়েই এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট হাইকোর্টে পেশ করা হয়েছে পুরনিগমের তরফ থেকে।
পুরনিগমের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, কোন কোন বাড়ির নির্মাণ বেআইনি, তা চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলি ভাঙার জন্য ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে কারণ, বাড়িগুলিতে বেআইনিভাবে রয়েছেন বাসিন্দারা। আর যে সব বাড়ির একাংশ ভেঙে ফেলা হচ্ছে, সেগুলি আবার বাসিন্দারা নির্মাণ করে ফেলছেন। এই তথ্য় দেখার পরই পুলিশের সাহায্য নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শুধু তাই নয়, ১৫ জুন পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে, তার মধ্য়ে বাড়ি খালি করে দিতে হবে বাসিন্দাদের। যদি কেউ বাড়ি খালি না করতে চান, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও উল্লেখ করেছেন প্রধান বিচারপতি। তবে কতগুলি বাড়ির ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।





