‘ব্যাড ব্যাঙ্কে’র জন্য ৩০ হাজার ৬০০ কোটি টাকার গ্যারান্টিতে অনুমোদন কেন্দ্রের

Nirmala Sitharaman : ২০১৮ সালের হিসেব বলছে ২১ টি পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্কের মধ্যে মাত্র দু'টি ব্যাঙ্কই লাভের মুখ দেখেছিল। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্যাঙ্কিং সেক্টর। ২০২১ সালের হিসেব বলছে, মাত্র দু'টি ব্যাঙ্কের লোকসান হয়েছে।

'ব্যাড ব্যাঙ্কে'র জন্য ৩০ হাজার ৬০০ কোটি টাকার গ্যারান্টিতে অনুমোদন কেন্দ্রের
কোন কোন জিনিসের উপর জিএসটির দাম কমল?

নয়াদিল্লি : ব্যাঙ্কিং সেক্টরের জন্য বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। ‘ব্যাড ব্যাঙ্ক’-এর জন্য ৩০ হাজার ৬০০ কোটি টাকার গ্যারান্টি অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। অনাদায় ঋণের সমস্যা সামলাতে তৈরি করা হবে এই ব্যাড ব্যাঙ্ক। জাতীয় সম্পত্তি পুনর্গঠন কোম্পানি লিমিটেড (NARCL) এই আর্থিক গ্যারান্টি নিশ্চিত করবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

আজ সাংবাদিক বৈঠকে নির্মলা সীতারমন জানিয়েছেন, নগদ যে পরিমাণ ঋণ রয়েছে, তার মধ্যে ১৫ শতাংশ দেবে জাতীয় সম্পত্তি পুনর্গঠন কোম্পানি লিমিটেড। বাকি ৮৫ শতাংশের গ্যারান্টি দেবে কেন্দ্র। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই জাতীয় সম্পত্তি পুনর্গঠন কোম্পানি লিমিটেডের সবথেকে বড় বিনিয়োগ করবে হবে কানাড়া ব্যাঙ্ক। এনএআরসিএলের প্রায় ১২ শতাংশ দেবে কানাড়া ব্যাঙ্ক। দেশের সবক’টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক মিলিয়ে প্রায় ৫১ শতাংশ শেয়ার থাকবে জাতীয় সম্পত্তি পুনর্গঠন কোম্পানি লিমিটেড।

নির্মলা সীতারমন আজ সাংবাদিক বৈঠকে আরও জানান, ২০১৫ সাল থেকে ব্যাঙ্কগুলি ঋণপ্রাপকদের থেকে প্রায় ৫ লাখ কোটি টাকা আদায় করেছে। এর মধ্যে কেবল ২০১৮ সালের মার্চ মাস থেকে ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে। এর পাশাপাশি এসার স্টিল, ভূষণ স্টিলের মতো সংস্থাগুলির থেকেও ৯৯ হাজার কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে।

২০১৮ সালের হিসেব বলছে ২১ টি পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্কের মধ্যে মাত্র দু’টি ব্যাঙ্কই লাভের মুখ দেখেছিল। সেখান থেকে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্যাঙ্কিং সেক্টর। ২০২১ সালের হিসেব বলছে, মাত্র দু’টি ব্যাঙ্কের লোকসান হয়েছে।

২০২১-২২ আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করার সময়েই জাতীয় সম্পদ পুরর্গঠন সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন নির্মলা সীতারমন। মূল লক্ষ্য ছিল ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলির উপর থেক ঋণের বোঝা কমানো। উল্লেখ্য, সম্প্রতি একাধিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২০২২ সালের মার্চ মাসের মধ্যে ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলির নন-পারফর্মিং অ্যাসেটের পরিমাণ ১০ লাখ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আর এই সামগ্রিক পরিস্থিতি থেকে ব্যাঙ্কিং সেক্টরকে উদ্ধার করতেই ব্যাড ব্যাঙ্ক গঠন করা হচ্ছে।

এদিকে আগামিকালই লখনউতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে পেট্রল, ডিজ়েল সহ বেশ কিছু পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যকে জিএসটির আওতায় নিয়ে আসার কথা রয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন থেকে শুরু করে সব রাজ্যের অর্থমন্ত্রীরা। পেট্রল ও ডিজ়েলকে জিএসটি কাউন্সিলের আওতায় নিয়ে আসা হবে কি না, তা নিয়ে আগামিকাল আলোচনা হতে পারে। সেই আলোচনার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পেট্রোপণ্যকে জিএসটি কাউন্সিলের আওতায় নিয়ে আসা হলে, একলাফে অনেকটা কমবে লিটার পিছু জ্বালানি তেলের দাম।

আরও পড়ুন : GST Council Meeting: জিএসটির আওতায় ঢুকলে কি পেট্রল ৭৫, ডিজ়েল ৬৮?

Read Full Article

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla