Bus service: অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক বাস চালকদের
আন্দোলনরত বাস চালকদের দাবি, জাতীয় সড়কে ই-রিকশা বা টোটো চলাচল নিয়ে আদালতের নির্দেশ রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে অভিযান বা মাইকিং করা হলেও স্থায়ীভাবে সমস্যার সমাধান হয়নি। তাঁদের অভিযোগ, গ্রামীণ রাস্তায় নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে টোটো চলাচলের কথা থাকলেও জাতীয় সড়কেও অবাধে সেগুলি চলছে।

রিয়া নমো দাসের রিপোর্ট
তুফানগঞ্জ: যেদিকে তাকানো যায়, সেই দিকেই ই-রিক্সা। অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন বাকি গাড়ির চালকরা। সেই কারণে বাস চালকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি। জাতীয় সড়কে ব্যাটারি চালিত ই-রিকশা বা টোটোর দাপটের অভিযোগ তুলে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে তুফানগঞ্জ মহকুমা বাস ড্রাইভার ইউনিয়ন। চালকদের অভিযোগ, হাইওয়েতে ই-রিকশার অবাধ চলাচলের কারণে বাসে যাত্রী কমে গিয়েছে। ফলে আয় কমলেও জ্বালানি ও অন্যান্য খরচ মেটাতে গিয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন বাস মালিক ও চালকরা।
এই কর্মবিরতির জেরে সোমবার সকাল থেকেই তুফানগঞ্জে ব্যাহত হয় বেসরকারি বাস পরিষেবা। অসম থেকে কোচবিহার ও শিলিগুড়িগামী বেশ কিছু বাসও ঘুরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ফলে চরম সমস্যায় পড়েন দূরপাল্লার যাত্রী থেকে শুরু করে অফিসযাত্রী ও নিত্যযাত্রীরা।
আন্দোলনরত বাস চালকদের দাবি, জাতীয় সড়কে ই-রিকশা বা টোটো চলাচল নিয়ে আদালতের নির্দেশ রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে অভিযান বা মাইকিং করা হলেও স্থায়ীভাবে সমস্যার সমাধান হয়নি। তাঁদের অভিযোগ, গ্রামীণ রাস্তায় নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে টোটো চলাচলের কথা থাকলেও জাতীয় সড়কেও অবাধে সেগুলি চলছে।
চালকদের আরও দাবি, প্রতিদিন গাড়ি চালিয়ে জ্বালানি ও অন্যান্য খরচ মেটানোর পর হাতে কার্যত কোনও টাকা থাকছে না। উল্টে ঋণের বোঝা বাড়ছে। পুজোর মুখে পরিস্থিতি আরও সংকটজনক হয়ে ওঠায় বাধ্য হয়েই তাঁরা কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ ও আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
অন্যদিকে, হঠাৎ বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকেও বাস না পাওয়ার অভিযোগ করেন তাঁরা। সরকারি বাস ও অন্যান্য লোকাল গাড়িগুলিতে অতিরিক্ত ভিড় থাকায় অনেকেই গন্তব্যে যেতে পারেননি। ফলে অফিস, ব্যবসা এবং দৈনন্দিন কাজেও ব্যাপক প্রভাব পড়ে।
