
তমলুক: ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া বুধবার ভোরে অন্ধ্র প্রদেশ ও পুদুচেরির ইয়ানাম উপকূল বরাবর শুরু হয়। এর জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি। আজও চলছে। আর এর মধ্যেই বড় খবর। বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যার জেরে দিঘা ঢোকার মুখেই ট্রেনে বিপত্তি। বৈদ্যি বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, দিঘা ঢোকার আগে তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস দাঁড়িয়ে যায়। সমস্যায় যাত্রীরা। প্রায় দীর্ঘ দু’ঘণ্টার বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে আছে এই ট্রেন।
হাওড়া থেকে প্রতিদিনের মতোই তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস ছেড়েছিল। আজ সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ঢোকার কথা ছিল তার। কিন্তু দিঘা থেকে ১ কিলোমিটার দূরে হঠাৎ লোডশেডিং হয়ে যায়। ট্রেনে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুতের সরবরাহ। এরপরই যাত্রী বোঝাই এক্সপ্রেস থেমে যায় মাঝ রাস্তায়। প্রায় দু’ঘণ্টা হয়ে গিয়েছে, এখনও চলছে না ট্রেন। এ দিকে ট্রেন দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার কারণে যাত্রীদের একাংশ ট্রেন থেকে নেমে যান। ব্যাগ-লাগেজ নিয়ে সকলে হেঁটেই রওনা দিতে শুরু করেন গন্তব্যে।
প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের জন্য হাওড়া থেকে চারটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। কোনও ট্রেন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। আবার কোনও ট্রেন ৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৮১০৭ রাউরকেলা-জগদলপুর এক্সপ্রেস ২৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাতিল থাকবে। অন্যদিকে, ১৮১০৮ জগদলপুর-রাউরকেলা এক্সপ্রেস ৩০ অক্টোবর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে না।এছাড়াও, ১৮০০৫ হাওড়া-জগদলপুর এক্সপ্রেস ২৭ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। একইভাবে ১৮০০৬ জগদলপুর-হাওড়া এক্সপ্রেস ২৮ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে না।