ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তি ছক কষেছিলেন পালিয়ে যাওয়ার। সেই মতো চেষ্টাও করেছিলেন। শৌচালয়ে যাওয়ার নাম করে পুলিশের গাড়ি থেকে নামেন। অভিযোগ, আর তারপরই পুলিশেরই রিভলবার ছিনিয়ে নিয়ে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এরপরের দৃশ্যপট ঠিক যেন হিন্দি সিনেমার মতো। আত্মরক্ষার স্বার্থে পুলিশকে রীতিমতো ঝাঁপ দিতে হয়। আর তারপর পাল্টা গুলি ছোড়েন আধিকারিকরা। আর তাতেই মৃত্যু অভিযুক্তের। সোমবার গাইঘাটায় ধর্ষণে অভিযুক্তর এনকাউন্টারের ঘটনা আরও একবার মনে করিয়ে দিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সেই মন্তব্য,’দিনে জমা রাতে খরচ’।
বিস্তারিত পড়ুন: Gaighata Encounter: প্রস্রাব পেয়েছে বলে নেমেছিলেন, গাড়ি থামাতেই গুলি, পুকুরে ঝাঁপ দিতে হয় পুলিশকে, ঠিক কীভাবে হল এনকাউন্টার?
অভিযুক্তের ভাই বলেন, “ও তো শুয়েছিল। পরের দিন সকালে পুলিশ এসে ওকে নিয়ে চলে গেল। আর কিছু বলতে পারব না। আর আমি শুনেছিলাম মেয়েটা এসে দাদার সঙ্গে ঝামেলা করত। আমার দাদা ওদের পরিবারে বলেছিল, কিন্তু মেয়েটা শোনেনি। পুলিশ আমাদের জানায়নি এনকাউন্টার হয়ে গেছে।” তিনি আরও বলেন, “এখন শুনলাম দাদার মৃতদেহ পড়ে আছে হাসপাতালে। শুনেছি পুলিশের নাকি বন্দুক কেড়ে নিয়েছিল। আমি ভাবতে পারিনি দাদা এমন কাজ করবে। আশপাশের লোকও আশ্চর্য হয়ে গিয়েছেন ওর ব্য়াপারে শুনে।”
ঘূর্ণিঝড় অর্ণব (Cyclone Arnab) চোখের নিমেষে আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে। মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যেই এটি তীব্র থেকে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এর শক্তি কি আরও বাড়বে? পূর্ব উপকূল জুড়ে প্রবল আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সরাসরি বাংলায় না এলেও এই ঘূর্ণিঝড়ের আঁচ থেকে রেহাই পাচ্ছে না রাজ্য। হেমন্তের শুরুতে রাজ্যে ফের একদফা ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বারুইপুরের পর এবার গাইঘাটায় ‘এনকাউন্টার’ (Gaighata Encounter)। মৃত্যু হয়েছে ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের। পুলিশের দাবি, গভীর রাতে প্রহ্লাদ দাসকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে ফেরার সময় পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্ত। তারপর পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেইসময় পাল্টা পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় প্রহ্লাদ দাসের। নজর থাকবে সেই দিকে।
অপরদিকে, বিজেপি প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে কালীপুজোর পর।তবে ধাপে ধাপে নয়। একসঙ্গেই এই প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করতে চায় বিজেপি। ইতিমধ্যেই প্রচুর আবেদন জমা পড়ে গিয়েছে বলে দাবি বিজেপির। সেই দিকেও নজর থাকবে।
একই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় ও আবহাওয়ার দিকেও নজর থাকবে। কারণ ৬ ঘণ্টার মধ্যেই এটি তীব্র থেকে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে বাংলায় বৃষ্টি হবে সেইটাও দেখা হবে।
ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তি ছক কষেছিলেন পালিয়ে যাওয়ার। সেই মতো চেষ্টাও করেছিলেন। শৌচালয়ে যাওয়ার নাম করে পুলিশের গাড়ি থেকে নামেন। অভিযোগ, আর তারপরই পুলিশেরই রিভলবার ছিনিয়ে নিয়ে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এরপরের দৃশ্যপট ঠিক যেন হিন্দি সিনেমার মতো। আত্মরক্ষার স্বার্থে পুলিশকে রীতিমতো ঝাঁপ দিতে হয়। আর তারপর পাল্টা গুলি ছোড়েন আধিকারিকরা। আর তাতেই মৃত্যু অভিযুক্তের। সোমবার গাইঘাটায় ধর্ষণে অভিযুক্তর এনকাউন্টারের ঘটনা আরও একবার মনে করিয়ে দিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সেই মন্তব্য,’দিনে জমা রাতে খরচ’।
বিস্তারিত পড়ুন: Gaighata Encounter: প্রস্রাব পেয়েছে বলে নেমেছিলেন, গাড়ি থামাতেই গুলি, পুকুরে ঝাঁপ দিতে হয় পুলিশকে, ঠিক কীভাবে হল এনকাউন্টার?
অভিযুক্তের ভাই বলেন, “ও তো শুয়েছিল। পরের দিন সকালে পুলিশ এসে ওকে নিয়ে চলে গেল। আর কিছু বলতে পারব না। আর আমি শুনেছিলাম মেয়েটা এসে দাদার সঙ্গে ঝামেলা করত। আমার দাদা ওদের পরিবারে বলেছিল, কিন্তু মেয়েটা শোনেনি। পুলিশ আমাদের জানায়নি এনকাউন্টার হয়ে গেছে।” তিনি আরও বলেন, “এখন শুনলাম দাদার মৃতদেহ পড়ে আছে হাসপাতালে। শুনেছি পুলিশের নাকি বন্দুক কেড়ে নিয়েছিল। আমি ভাবতে পারিনি দাদা এমন কাজ করবে। আশপাশের লোকও আশ্চর্য হয়ে গিয়েছেন ওর ব্য়াপারে শুনে।”
ঘূর্ণিঝড় অর্ণব (Cyclone Arnab) চোখের নিমেষে আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে। মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যেই এটি তীব্র থেকে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এর শক্তি কি আরও বাড়বে? পূর্ব উপকূল জুড়ে প্রবল আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সরাসরি বাংলায় না এলেও এই ঘূর্ণিঝড়ের আঁচ থেকে রেহাই পাচ্ছে না রাজ্য। হেমন্তের শুরুতে রাজ্যে ফের একদফা ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বারুইপুরের পর এবার গাইঘাটায় ‘এনকাউন্টার’ (Gaighata Encounter)। মৃত্যু হয়েছে ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের। পুলিশের দাবি, গভীর রাতে প্রহ্লাদ দাসকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে ফেরার সময় পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্ত। তারপর পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেইসময় পাল্টা পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় প্রহ্লাদ দাসের। নজর থাকবে সেই দিকে।
অপরদিকে, বিজেপি প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে কালীপুজোর পর।তবে ধাপে ধাপে নয়। একসঙ্গেই এই প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করতে চায় বিজেপি। ইতিমধ্যেই প্রচুর আবেদন জমা পড়ে গিয়েছে বলে দাবি বিজেপির। সেই দিকেও নজর থাকবে।
একই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় ও আবহাওয়ার দিকেও নজর থাকবে। কারণ ৬ ঘণ্টার মধ্যেই এটি তীব্র থেকে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে বাংলায় বৃষ্টি হবে সেইটাও দেখা হবে।