Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMC on Seat-Sharing: ‘কংগ্রেস বলছে দরজা খোলা’, আসন-ভাগাভাগির কথা স্পষ্ট করে দিল তৃণমূল

TMC on Seat-Sharing: শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জয়রাম রমেশ বলেন, আলোচনার দরজা বন্ধ হয়নি এখনও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে কথা চলছে। এই প্রসঙ্গে সমাজবাদী পার্টি ও আম আদমি পার্টির উদাহরণও দিয়েছেন তিনি। ওই দুই দলের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি হয়েছে কংগ্রেসের।

TMC on Seat-Sharing: 'কংগ্রেস বলছে দরজা খোলা', আসন-ভাগাভাগির কথা স্পষ্ট করে দিল তৃণমূল
আসন ভাগাভাগি নিয়ে জারি জল্পনাImage Credit source: Facebook
Follow Us:
| Edited By: | Updated on: Feb 24, 2024 | 2:31 PM

কলকাতা: বিজেপিকে মসনদ থেকে সরানোর লক্ষ্যে তৈরি হয়েছিল ইন্ডিয়া জোট। দফায় দফায় বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু সময় যতই এগিয়েছে, ততই স্পষ্ট হয়েছে ফাটল। বিশেষত জোটের অন্যতম সদস্য তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কংগ্রেসের বিরুদ্ধে, তাতে রাজনৈতিক মহলের অনুমান বাংলায় আসন ভাগাভাগি-র সম্ভাবনা আর নেই। দ্ব্যর্থহীন ভাষায় এ একা লড়ার কথা বলেছেন মমতা। তবে কংগ্রেস এখনও আশাবাদী। শুক্রবার ফের কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেছেন, দরজা এখনও খোলা আছে। তারপরই তৃণমূল তাদের অবস্থান স্পষ্ট করল আরও একবার। দলের অন্যতম মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন জানিয়ে দিয়েছেন কী তাদের অবস্থান।

শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জয়রাম রমেশ বলেন, আলোচনার দরজা বন্ধ হয়নি এখনও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে কথা চলছে। এই প্রসঙ্গে সমাজবাদী পার্টি ও আম আদমি পার্টির উদাহরণও দিয়েছেন তিনি। ওই দুই দলের সঙ্গেই ইতিমধ্য়ে আসন ভাগাভাগি হয়েছে কংগ্রেসের। তাই তৃণমূলের সঙ্গেও যে সব জট কেটে যাবে, সে ব্যাপারে আশাবাদী কংগ্রেস নেতা।

জয়রাম রমেশের এই বক্তব্যের পরই বার্তা দেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি জানিয়েছেন, ‘কয়েক সপ্তাহ আগে তৃণমূল সুপ্রিমো জানিয়েছেন যে বাংলার ৪২টি আসনে একাই লড়বে তৃণমূল। অসম ও মেঘালয়ের কয়েকটি আসনেও লড়াই করবে। এই অবস্থানেই এখনও অনড় রয়েছে দল।’ রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেকের বক্তব্যেই স্পষ্ট, আসন-ভাগাভাগির কোনও সম্ভাবনা আর নেই।

কংগ্রেস তথা রাহুল গান্ধী যখন ‘ভারত জোড় ন্যায় যাত্রা’ নিয়ে বাংলায় এসেছিলেন, তার আগেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মমতা। রাহুলের বঙ্গ সফরের কথা কেন তাঁকে জানানো হল না, কেন কংগ্রেস সৌজন্য দেখাল না, তা নিয়ে প্রকাশ্যে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন তিনি। তবে কংগ্রেস সূত্রে জানা যায়, মমতাকে ফোন করে ‘ভারত জোড় ন্যায় যাত্রা’য় যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।