Ranji Trophy: মাঠে নামার আগেই হুঙ্কার নেতা মনোজের, দিলেন রঞ্জির ভবিষ্যদ্বাণীও
তিন বছর আগে রাজকোটে সৌরাষ্ট্রের কাছেই ফাইনালে হেরেছিল বাংলা। ইডেনে তাই বদলার ম্যাচ অনুষ্টুপদের কাছে। বঙ্গ অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি ফাইনালের আগে হুঙ্কার ছেড়ে রাখলেন।

কৌস্তভ গঙ্গোপাধ্যায়
ঝাড়খণ্ড ম্যাচে যে উইকেটে খেলা হয়েছিল, সেই সেন্টার উইকেটেই হবে রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল। পিচে ঘাস থাকছে। দুই দলের পেসারদের কাছেই আগুন ঝরানোর অস্ত্র তুলে দিচ্ছেন কিউরেটর। একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জ ব্যাটারদের। শেষ ২০ বছরে তিনবার রঞ্জির ফাইনালে (Ranji Trophy 2022-23) পৌঁছেও ট্রফি জিততে পারেনি বাংলা। লক্ষ্মী-মনোজরা (Manoj Tiwary) তাই ফাইনাল নিয়ে একইরকম ভাবে যেমন সতর্ক, তেমনই আত্মবিশ্বাসী। এ বারের রঞ্জিতে দুর্ধর্ষ ফর্মে রয়েছে টিম বেঙ্গল (Bengal Cricket Team)। মধ্যপ্রদেশের মাটিতে দাপুটে জয় ছিনিয়ে ফাইনালে এসেছে বাংলা। প্রতিপক্ষের সৌরাষ্ট্রে ফাইনালের আগে দলে যোগ দিয়েছেন জয়দেব উনাদকাট। ভারতীয় দল থেকে ছুটি নিয়ে রঞ্জি ফাইনাল খেলতে এসেছেন বাঁ-হাতি পেসার। ইডেনের হাইভোল্টেজ ম্যাচের পারদ চড়তে শুরু করে দিয়েছে। মেগা ফাইনালের আয়োজনে তৈরি সিএবিও। রঞ্জি ফাইনালে ইডেন বেল বাজাবেন বাংলার রঞ্জিজয়ী অধিনায়ক সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিন বছর আগে রাজকোটে সৌরাষ্ট্রের কাছেই ফাইনালে হেরেছিল বাংলা। ইডেনে তাই বদলার ম্যাচ অনুষ্টুপদের কাছে। বঙ্গ অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি ফাইনালের আগে হুঙ্কার ছেড়ে রাখলেন। বললেন, ‘একপেশে ফাইনাল হবে। আর ফাইনাল জিতে চ্যাম্পিয়ন হব আমরা।’ নিজের দলের সার্বিক শক্তি বিচার করেই এই মন্তব্য তাঁর। বিপক্ষ সৌরাষ্ট্র মাঠে নামার আগেই ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে দিলেন বঙ্গ অধিনায়ক। ফাইনালে দলকে উজ্জীবিত করতে মাঠে থাকার কথা ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের। ফল আশানুরূপ হলে, মাঠে দেখা দেখা যেতে পারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।
রঞ্জি ফাইনালে থাকছে ডিআরএস। নক আউটে ডিআরএসের দাবি জানিয়ে কয়েকদিন আগেই বোর্ডের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন মনোজ তিওয়ারি। তিন বছর আগের ফাইনালে আংশিক ডিআরএস ছিল। এ বার সম্পূর্ণ ডিআরএস থাকছে। অর্থাৎ বল ট্র্যাকিং বা আল্ট্রা এজ থাকছে। প্রত্যেক ইনিংসে তিন বার করে তার সাহায্য নেওয়া যাবে। তবে ডিআরএস কলে উইকেটকিপারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রসঙ্গে মনোজ বলেন, ‘আমরা এ নিয়ে আলাদা সেশন করেছি। আমি স্লিপে থাকি। তাই বেশিরভাগ সময়টায় আমিই সিদ্ধান্ত নেব।’
বাংলাকে ফাইনালে ভাবাচ্ছে ওপেনিং সমস্যা। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ছাড়া কেউই সে ভাবে রান পাননি। করণ লালের পরিবর্তে কাজি জুনেইদ সইফিকে ভাবছে থিঙ্ক ট্যাঙ্ক।ফাইনালের আগে আলাদা অনুশীলনও করলেন কাজী। প্রদীপ্ত প্রামাণিকের জায়গায় দলে আসছেন আকাশ ঘটক। ঈশান পোড়েলের চোট থাকলেও মঙ্গলবার দলের সঙ্গে অনুশীলন করলেন। খেলতে অসুবিধে নেই। বাঁ-হাতি পেসার গীত পুরীকেও ভেবে রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।





