Israel Elections: সরকার গড়তে পারছেন না নেতানিয়াহু, আরব দলগুলির হাতেই চাবিকাঠি
Benjamin Netanyahu: নির্বাচনী ফলাফল সামনে আসতেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়ে গেছে ইজরায়েলে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি নির্বাচনে কারচুপি করেছে বলে অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে। বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগও সামনে এসেছে।

ইজরায়েল: ইজরায়েলে (Israel Election) ১০০ শতাংশ ভোটের গণনা শেষ হয়েছে। কিন্তু কোনও দলই পৌঁছতে পারল না সংখ্যাগরিষ্ঠতায়। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরোধী দল অর্থাৎ গাদি আইজেনকোটের জোটের হাতে রয়েছে ৪৮টি আসন। ফলে কোনও পক্ষই সরকার গড়তে পারছে না। সরকার গঠনের চাবি রইল আরব দলগুলোর হাতে। ১৯টি আসন রয়েছে তাদের কাছে। ৬১টি আসন থাকলে তবেই সে দেশে সরকার গঠন করতে পারবে কোনও দল।
নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের মধ্যে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি একাই ২৭টি আসন পেয়েছে। আর আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি ২১টি আসন পেয়েছে। তবে আরব দলগুলির হাতে ১৯টি আসন চলে যাওয়ার ঘটনা কার্যত ঐতিহাসিক।
১৯টি আসন পেয়ে আরব জোট এখন কিংমেকার-এর ভূমিকায়। তবে, ইজরায়েলের রাজনীতিতে দেখা গিয়েছে বেশিরভাগ সময়েই ইহুদি দলগুলি আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে জোট এড়িয়ে চলে।
এদিকে, নির্বাচনী ফলাফল সামনে আসতেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়ে গেছে ইজরায়েলে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি নির্বাচনে কারচুপি করেছে বলে অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে। বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগও সামনে এসেছে।
জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হার্জোগ শীঘ্রই সব দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন। যাদের কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা থাকবে তাদেরই সরকার গঠন করার আহ্বান জানাবেন রাষ্ট্রপতি।
নেতানিয়াহু বা গাদি আইজেনকোট ছোট দলগুলোকে ভাঙিয়ে নিজেদের পক্ষে আনার চেষ্টা করতে পারেন। অথবা দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নেতানিয়াহু ও আইজেনকোটের জোট মিলে একটি যৌথ সরকার গঠন করতে পারে। তবে, বিরোধীদের নেতানিয়াহু-বিরোধী মনোভাবের কারণে এই পথ অত্যন্ত কঠিন বলেই মনে করা হচ্ছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি কোনও পক্ষই জোট সরকার গঠনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়, তবে ইজরায়েলে কয়েক মাসের মধ্যে আবারও নতুন করে নির্বাচন হতে পারে।
