‘পাওয়ার’ লাঞ্চে এনসিপি প্রধানের সঙ্গে কী কথা হয়েছে পিকের? জানালেন নবাব

প্রশান্ত কিশোর এনসিপি দলের স্ট্র্যাটেজিস্ট হচ্ছেন, প্রথমেই এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন নবাব।

'পাওয়ার' লাঞ্চে এনসিপি প্রধানের সঙ্গে কী কথা হয়েছে পিকের? জানালেন নবাব
ফাইল চিত্র

মুম্বই: বাংলার নির্বাচনে বিজেপির বিজয়রথ রুখে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। ল্যান্ডস্লাইড জয় পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অভূতপূর্ব সাফল্যের নেপথ্যে ছিলেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। জয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, জাতীয় স্তরে মোদী বিরোধিতার জন্য পিকের সাহায্য নেবে জোড়াফুল। তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে মমতাকে মুখ করে এককাট্টা হতে পারে বিরোধীরা। এই পরিস্থিতিতেই শুক্রবার জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (NCP) প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ সেরেছেন প্রশান্ত কিশোর। ঘন্টা তিনেকের বৈঠকে কী কথা হল তাঁদের মধ্যে, এ বিষয়ে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা নবাব মলিক।

প্রশান্ত কিশোর এনসিপি দলের স্ট্র্যাটেজিস্ট হচ্ছেন, প্রথমেই এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন নবাব। তিনি বলেন, “৩ ঘণ্টার বৈঠকে প্রশান্ত কিশোরকে এনসিপির কৌশলী করার কোনও আলোচনা হয়নি। তিনি একজন ভোটকৌশলী। তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা পাওয়ার সাহেবকে শুনিয়েছেন। পাওয়ার সাহেব বিরোধীদের একত্রিত করতে চান। বিজেপির বিরুদ্ধে ফ্রন্ট গড়ার কাজ আগামিদিনে চলবে।”

এ ছাড়া নবাব বলেন, “বাংলায় মানুষ বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। মুকুল রায় জী ফের তৃণমূলে ফিরেছেন। আরও অনেক বিধায়ক, সাংসদ ফিরবেন। উত্তর প্রদেশেও মানুষ সরকার বদলের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে।” অর্থাৎ এনসিপির মন্ত্রী ইঙ্গিত দিচ্ছেন, জাতীয় স্তরে মোদী বিরোধিতার পরিকল্পনা সাজাতে এককাট্টা হচ্ছে বিরোধীরা। যেখানে বড় ভূমিকা থাকতে পারে প্রশান্ত কিশোরের। অন্য়দিকে দানা বাঁধছে আরেকটি সমীরকণও।

কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। খাতায়-কলমে মারাঠা সংরক্ষণ নিয়ে বৈঠক হলেও রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, বৈঠক হয়েছে জোট নিয়ে। অর্থাৎ ফের জোটে ফিরতে পারে শিবসেনা ও বিজেপি। যদি তা হয়, তাহলে মহারাষ্ট্রে বিরোধীর আসনে বসতে হবে এনসিপি ও কংগ্রেসকে। সেই আবহে প্রশান্ত কিশোর দুপুরের খাবার খাচ্ছেন শরদ পাওয়ারের সঙ্গে। এই সাক্ষাতে পরিস্থিতি আলাদাই মাত্রা যোগ করেছে।

আরও পড়ুন: বিয়েবাড়িতে হাতির তাণ্ডব, ছাদনাতলা ছেড়ে দৌড় বরের