Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে আবার ডাক দেবরাজের, এবার চাওয়া হল ব্যক্তিগত নথি

Recruitment Scam: দীর্ঘক্ষণ ধরে জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে কী কী জানতে চাওয়া হল দেবরাজের থেকে? প্রশ্ন করায় কাউন্সিলর বললেন, 'তদন্তের ব্যাপারে বিভিন্ন আলোচনা করেছেন তাঁরা। আমি তাঁদের সহযোগিতা করেছি। তাঁরা আমার আরও কিছু তথ্য চেয়েছেন, আমি সেগুলোও দেব। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে আমার বাড়িতে একটি প্রাথমিক স্তরের তল্লাশি হয়েছিল। তারপর আজ আবারও আমাকে ডাকা হয়।'

Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে আবার ডাক দেবরাজের, এবার চাওয়া হল ব্যক্তিগত নথি
দেবরাজ চক্রবর্তীImage Credit source: TV9 Bangla
Follow Us:
| Edited By: | Updated on: Jan 25, 2024 | 8:50 PM

কলকাতা: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তেড়েফুঁড়ে আসরে নেমেছে সিবিআই। বৃহস্পতিবার সকালে নিজাম প্যালেসে সিবিআই অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছিল বিধায়ক তথা সঙ্গীতশিল্পী অদিতি মুন্সির স্বামী তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তীকে। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ পর্বের শেষে সন্ধেয় নিজাম প্যালেস থেকে বেরোলেন দেবরাজ। জানা যাচ্ছে, আগামী ৩১ জানুয়ারি বেলা ১১টায় ফের ডেকে পাঠানো হয়েছে তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তীকে।

দীর্ঘক্ষণ ধরে জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে কী কী জানতে চাওয়া হল দেবরাজের থেকে? প্রশ্ন করায় কাউন্সিলর বললেন, ‘তদন্তের ব্যাপারে বিভিন্ন আলোচনা করেছেন তাঁরা। আমি তাঁদের সহযোগিতা করেছি। তাঁরা আমার আরও কিছু তথ্য চেয়েছেন, আমি সেগুলোও দেব। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে আমার বাড়িতে একটি প্রাথমিক স্তরের তল্লাশি হয়েছিল। তারপর আজ আবারও আমাকে ডাকা হয়। তাঁরা কিছু নথি পেয়েছিল, সেগুলির ভিত্তিতে তাঁদের কিছু তথ্য যাচাই করার দরকার ছিল। সেই বিষয়ে আমি তথ্য দিয়েছি।’ দেবরাজের বক্তব্য, তাঁর থেকে আরও কিছু ব্যক্তিগত নথি চেয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসাররা। আগামী হাজিরার দিন, অর্থাৎ ৩১ তারিখ তিনি সেগুলি জমা দেবেন।

এর পাশাপাশি আরও এক কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তও এদিন ডেকে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এর আগে তাঁর বাড়িতে যখন তল্লাশি চালানো হয়েছিল, তখন বেশ কিছু বায়োডাটা পাওয়া গিয়েছিল বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের। যদিও কাউন্সিলরের দাবি, বায়োডাটা পাওয়া যেতেই পারি। তিনি জনপ্রতিনিধি। সেই হিসেবে বায়োডাটা থাকতেই পারে। কিন্তু এর সঙ্গে অন্য কোনওরকম যোগ নেই বলেই দাবি কাউন্সিলরের।