Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMCP: ‘উত্তর দেওয়া উচিৎ ছিল’, তৃণমূলের ছাত্র-যুবদের নিয়েই প্রশ্ন তুললেন কল্যাণ

TMCP: কুণাল ঘোষ দেবাংশুর পোস্টকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, 'আমি অন্তর থেকে সমর্থন করছি।' অক্সফোর্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেভাবে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় গর্জে ওঠা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

TMCP: 'উত্তর দেওয়া উচিৎ ছিল', তৃণমূলের ছাত্র-যুবদের নিয়েই প্রশ্ন তুললেন কল্যাণ
Image Credit source: TV9 Bangla
Follow Us:
| Updated on: Mar 31, 2025 | 6:53 PM

কলকাতা: বিদেশের কলেজে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্য়ের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অভিযোগের আঙুল উঠেছে বাম ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করল ক’জন? দলের সব সদস্য সমানভাবে সরব হল না কেন? এমনই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তৃণমূলের অন্দরেই। দেবাংশ ভট্টাচার্যের পর মুখ খুলতে শুরু করেছেন দলের একের পর এক নেতা।

তৃণমূল নেতা তথা দলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন, “নেত্রীর অপমানে কেন চুপ থাকেন? লড়াইয়ের সময়ে কেন ঘুমোন? অসময়ে কোথায় হারিয়ে যান? এলাকায় একটা মিছিল বের করেন না কেন?” কারও নাম না করে এভাবেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এরপরই তাঁর সেই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

কুণাল ঘোষ দেবাংশুর পোস্টকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, ‘আমি অন্তর থেকে সমর্থন করছি।’ অক্সফোর্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেভাবে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় গর্জে ওঠা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। অন্যদিকে, সরাসরি তৃণমূলের ছাত্র ও যুব সংগঠনের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়।

কল্যাণের দাবি, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন যে ভূমিকা নিতে পারত, সেটা নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “দল হয়ত সেই ভাবনাটাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি। আমি দেখছি, আরজি কর-কাণ্ডের সময় থেকে ছাত্র ও যুবরা খুব একটা কিছু করছে না।” তিনি আরও দাবি করেন, তিনি নিজে যুব তৃণমূল করাকালীন অনেক বেশি সক্রিয় ছিলেন। সাংসদ বলেন, “আমরা যখন যুব করেছি, অনেক রাজনৈতিক কর্মসূচি করতাম। মমতাদির আদেশের অপেক্ষায় থাকতাম না। অক্সফোর্ডে যা হয়েছে, সেই অসভ্যতার উত্তর দেওয়া উচিৎ ছিল।”

এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্য়ায় বলেন, “এটা কোনও দল নয়। একটা কোম্পানি। কর্মীদেরও বিবেক থাকে। বিবেক জাগ্রত হয়েছে। বিবেকবান কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থন করতে পারছেন না।” বাম নেতা শতরূপ ঘোষের বক্তব্য, “ওরা কেউ মমতার সম্মানের জন্য তৃণমূল করে না। এখন ভোটের আগে দেবাংশুর বোধোদয় হয়েছে। টিকিট পাওয়ার জন্য এসব করছে।”

উল্লেখ্য, এর আগে তৃণমূল ছাত্র পরিষদকে নিশানা করেছেন কল্যাণ। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে একসময় সরাসরি প্রশ্ন তুলে কল্যাণ বলেছিলেন,’এমন ছাত্র সভাপতি থেকে লাভ কী?’ তাঁর ওই মন্তব্য ঘিরে বিতর্কও হয় যথেষ্ট।