Bizarre: সত্যি সত্যি হাঁটুতেই মস্তিষ্ক থাকে এই ৫ প্রাণীর!
Bizarre: কিছু প্রাণী আছে যাঁদের মস্তিষ্ক সত্যিই পায়ে থাকে তাহলে? কি শুনতে অবাক লাগল? এটাই সত্যি! তার সঙ্গে রয়েছে এমন প্রাণী যার আবার রয়েছে একাধিক মস্তিষ্ক।

কারও বুদ্ধি কম হলে আমরা মশকরা করে বলি ‘বুদ্ধিতো হাঁটুতে থাকে।’ আসলে আমাদের যে পরিচালনা করে আমাদের মস্তিষ্ক তা সকলের জানা। কিন্তু যদি বলি এমন কিছু প্রাণী আছে যাঁদের মস্তিষ্ক সত্যিই পায়ে থাকে তাহলে? কি শুনতে অবাক লাগল? এটাই সত্যি! তার সঙ্গে রয়েছে এমন প্রাণী যার আবার রয়েছে একাধিক মস্তিষ্ক। এই প্রতিবেদনে রইল তেমন ৫ আজব প্রাণীর হদিস।
১। অক্টোপাস – অক্টোপাস বিখাত তার অনেক হাতের জন্য। সেই হাত দিয়ে একবার কোনও কিছু চেপে ধরলেই শেষ। এই প্রাণীর রয়েছে একাধিক মস্তিষ্কও। অক্টোপাসের মাথায় একটি কেন্দ্রীয় মস্তিষ্ক থাকে, আর আটটি হাতে প্রতিটিরই নিজস্ব একটি করে ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক থাকে। অক্টোপাস স্বাধীনভাবে সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে অক্টোপাসের মূল মস্তিষ্ক থেকে সরাসরি ইনপুট ছাড়াই তার হাত নাড়াতে পারেন।
২। জোঁক – জোঁক কেবল তাদের রক্তচোষা ক্ষমতার জন্যই নয়, বরং অদ্ভুত স্নায়ুতন্ত্রের জন্যও বিখ্যাত। ছোট খণ্ডের মতো এই দেহে ছড়িয়ে থাকে ৩২টি মস্তিষ্কের মতো গ্যাংলিয়া বা স্নায়ু কোষের গুচ্ছ। যা তা নড়াচড়া করতে এবং দক্ষতার সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে সাহায্য করে।
৩। স্টারফিস – বেশিরভাগ প্রাণীর মতো, স্টারফিসের কোনও কেন্দ্রীয় মস্তিষ্ক থাকে না। পরিবর্তে, তাদের মুখের চারপাশে একটি স্নায়ু বলয় থাকে। প্রতিটি হাতে একটি স্নায়ু জাল থাকে। এই বিকেন্দ্রীভূত স্নায়ু ক্লাস্টারগুলি তাদের চারপাশে কী ঘটছে তা অনুভব করতে সাহায্য করে।
৪। কাটলফিশ – কাটলফিশের একটি বৃহৎ কেন্দ্রীয় মস্তিষ্ক এবং হাতে অতিরিক্ত স্নায়ু ক্লাস্টার থাকে। এই অত্যাধুনিক স্নায়ুতন্ত্র ক্রোমাটোফোর নামক বিশেষ ত্বক কোষ ব্যবহার করে তাৎক্ষণিকভাবে রঙ পরিবর্তন করতে সাহায্য করে।
৫। মাকড়সা – অনেক মাকড়সা, বিশেষ করে ট্যারান্টুলার মতো বৃহৎ মাকড়সার, পায়ে গ্যাংলিয়া সহ একটি বিস্তৃত স্নায়ুতন্ত্র থাকে। এই ব্যবস্থা চারপাশে কোনও বিপদ আছে কিনা তা অনুধাবন করতে সাহায্য করে। এমনকি নিঃশব্দে শিকার করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই মস্তিষ্ক।





