Arsene Wenger: ভারতীয় ফুটবল সোনার খনি, বলছেন কিংবদন্তি ওয়েঙ্গার
Arsene Wenger in India: ফিফার ডেপেলপমেন্ট কমিটির প্রধান হওয়ায় নানা দেশেই যেতে হয়েছে আর্সেন ওয়েঙ্গারকে। সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল প্রতিভা নিয়ে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। ভারত কেন ফুটবল মাানচিত্রে পিছিয়ে অবাক তিনি। ভারতীয় ফুটবলের উন্নতির সম্ভাবনা প্রসঙ্গে বলছেন, 'ভারতীয় ফুটবল সোনার খনি। প্রয়োজন সেই প্রতিভাকে তুলে ধরা। আমরা যদি পরিশ্রম করতে পারি, ভারতীয় ফুটবলের উন্নতি নিশ্চিত ভাবেই সম্ভব।'

কলকাতা: পূর্ব ঘোষণা মতোই ভারতে এলেন আর্সেন ওয়েঙ্গার। প্রাক্তন কোচ তথা ফিফার গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধান আর্সেন ওয়েঙ্গার। কিংবদন্তি ওয়েঙ্গার এ দিনই ভারতে পৌঁছেছেন। সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চৌবে তাঁকে স্বাগত জানান। নয়াদিল্লিতে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার সদর দফতরে ভারতীয় ফুটবলের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে নানা বিষয়ে আলোচনা করেন। ভারতীয় ফুটবলকে সোনার খনিও বলছেন কিংবদন্তি আর্সেন ওয়েঙ্গার। বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
দেশের ফুটবলের উন্নতিতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। তার মধ্যে অন্যতম ফিফার সঙ্গে মিলিত ভাবে অ্যাকাডেমি গড়া। আগামী কাল ভুবনেশ্বরে ফিফা-এআইএফএফ অ্যাকাডেমি উদ্বোধন করবেন আর্সেন ওয়েঙ্গার। তাঁকে স্বাগত জানিয়ে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চৌবে বলেন, ‘ওয়েঙ্গারের মতো ব্যক্তিত্বকে কাছে পেয়ে আমরা সম্মানিত এবং গর্বিত। ফুটবল নিয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করার ভাষা নেই। আমি শুধু এটুকুই প্রার্থনা করব, ভারতে প্রতিভা খোঁজার বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতা পাব।’
প্রথম বার ভারতে এসেছেন আর্সেন ওয়েঙ্গার। নয়াদিল্লির ফুটবল হাউসে বলেন, ‘ভারতীয় ফুটবল বরাবরই আমাকে টানে। আমার লক্ষ্য সারা বিশ্বেই ফুটবলে উন্নতি। ভারতের মতো একশো চল্লিশ কোটির দেশ বিশ্ব ফুটবলের মানচিত্রে না থাকাটা অসম্ভব। এ দেশে প্রতিভার অভাব নেই। সে কারণেই আমি আশাবাদী। ভারতীয় ফুটবল নিয়ে কাজ করার সুযোগ পাওয়া আমার কাছে দারুণ ব্যাপার। আমি এবং আমার টিম মুখিয়ে রয়েছি। খুব অল্প সময়েই ভারতীয় ফুটবলের উন্নতি সম্ভব বলে মনে করি।’
ফিফার ডেপেলপমেন্ট কমিটির প্রধান হওয়ায় নানা দেশেই যেতে হয়েছে আর্সেন ওয়েঙ্গারকে। সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল প্রতিভা নিয়ে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। ভারতীয় ফুটবলের উন্নতির সম্ভাবনা প্রসঙ্গে বলছেন, ‘ভারতীয় ফুটবল সোনার খনি। প্রয়োজন সেই প্রতিভাকে তুলে ধরা। আমরা যদি পরিশ্রম করতে পারি, ভারতীয় ফুটবলের উন্নতি নিশ্চিত ভাবেই সম্ভব।’





