Awas Yojana: মমতার ‘দাওয়াই’! আবাসে কাটমানি রুখতে মাইকিং করে প্রচার তৃণমূলের
Awas Yojana: অবশ্য, তৃণমূলের এই 'চেষ্টায়' একটু হেঁয়ালি মন্তব্য কাটছেন স্থানীয়রা। এলাকায় আড়ি পাতলে শোনা যাচ্ছে, 'উপর মহলের কাছে গুঁতো খেয়েই হুঁশ ফিরেছে নেতাদের।' তবে গোটাটাই গুঞ্জন।

মুর্শিদাবাদ: ‘যাদের নাম আবাসের তালিকায় নাম উঠেছে, তারা কিন্তু কেউই কোনওরকম কাটমানি দেবেন না…’, মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জের মির্জাপুর এলাকায় ঘুরে বেরালেই কানে আসবে এই ঘোষণা। সেখানে মাইকিং করে এমনই প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল। কিন্তু কেন এমন প্রচার?
আবাসের টাকা ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক থেকে একটু দূরত্ব বজায় রাখতেই আগাম সচেতনতার বার্তা দিয়েছে তারা।
শুক্রবার সকালে মির্জাপুর অঞ্চলে টোটো চেপে আবাসের কাটমানি নিয়ে সচেতনতা প্রসঙ্গে মাইকিং করল তৃণমূল। সরকারি প্রকল্পের টাকা কেউ বাধা দিতে পারবে না, তাই কেউ যেন কাটমানি না দেয়, মাইকিং করে ঘোষণা করল তারা।
অবশ্য, তৃণমূলের এই ‘চেষ্টায়’ একটু হেঁয়ালি মন্তব্য কাটছেন স্থানীয়রা। এলাকায় আড়ি পাতলে শোনা যাচ্ছে, ‘উপর মহলের কাছে গুঁতো খেয়েই হুঁশ ফিরেছে নেতাদের।’ তবে গোটাটাই গুঞ্জন।
পাশাপাশি, মাইকিং করেই তারা জানিয়ে দিল, কেউ যদি কাটমানি চায়, তবে স্থানীয় তৃণমূল অঞ্চল সভাপতির সঞ্জয় সাহার সঙ্গে যেন অবশ্যই যোগাযোগ করেন উপভোক্তারা।
তবে এই মাইকিং প্রসঙ্গেও সুর চড়িয়েছে কংগ্রেস। এলাকার স্থানীয় প্রদেশ কংগ্রেস নেতা অজয় কুমার চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, ‘ঠাকুর ঘরে কে, আমি তো কলা খাইনি। ওদের যা টাকা তোলার আগেই তোলা হয়ে গিয়েছে।’ তবে কংগ্রেস নেতার কটূক্তিতে গুরুত্ব দিতে নারাজ স্থানীয় তৃণমূল। তাদের দাবি, ‘কিছু দুষ্কৃতী তৃণমূলের নাম করে এই সব কাটমানি নিচ্ছে। আর সেই বিষয়টিকে ঠেকাতেই এই প্রচার।’
সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ সফরে গিয়ে কাটমানি প্রসঙ্গে সুর চড়িয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। আবাস-যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি চাওয়া নিয়ে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্থানীয় দুই পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে দায়ের হয় অভিযোগ। এবার মুখ্যমন্ত্রীর ‘দাওয়াই’য়ের পরেই সচেতনতার বার্তা নিয়ে মাইকিং করল তৃণমূল।

