Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

পুজোর বারো ছবির যুদ্ধে হারল সবাই!

Tv9 বাংলা ডিজিটাল: দূরত্ববিধি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৫০ শতাংশ দর্শকাসন কমিয়ে চালু হল সিনেমাহল-মাল্টিপ্লেক্স। বক্সঅফিস কালেকশনে চাপ পড়বে জেনেও ‘যা হবে তা-ই অনেক’ ভাবনায় প্রযোজকেরা একে-একে রিলিজ করলেন দশটি ছবি। রি-রিলিজ হল আরও দু’টি। প্রথম সপ্তাহের হিসেব বলছিল, মুক্তির প্রথম সপ্তাহে হল ফাঁকা থাকেনি। দর্শকাসন ভর্তির নিরিখে ‘ড্রাকুলা স্যার’ ফার্স্ট, দ্বিতীয় ‘রক্ত রহস্য’ ছিল।  আর তৃতীয়তে […]

পুজোর বারো ছবির যুদ্ধে হারল সবাই!
পুজো রিলিজ
Follow Us:
| Updated on: Dec 02, 2020 | 10:03 PM

Tv9 বাংলা ডিজিটাল: দূরত্ববিধি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৫০ শতাংশ দর্শকাসন কমিয়ে চালু হল সিনেমাহল-মাল্টিপ্লেক্স। বক্সঅফিস কালেকশনে চাপ পড়বে জেনেও ‘যা হবে তা-ই অনেক’ ভাবনায় প্রযোজকেরা একে-একে রিলিজ করলেন দশটি ছবি। রি-রিলিজ হল আরও দু’টি।

প্রথম সপ্তাহের হিসেব বলছিল, মুক্তির প্রথম সপ্তাহে হল ফাঁকা থাকেনি। দর্শকাসন ভর্তির নিরিখে ‘ড্রাকুলা স্যার’ ফার্স্ট, দ্বিতীয় ‘রক্ত রহস্য’ ছিল।  আর তৃতীয়তে ‘এসওএস কলকাতা’। বাকি ছবি ধোপে টেকেনি বললে যে খুব ভুল বলা হবে তা-ও নয়।

সে তো গেল প্রথম সপ্তাহের গল্প। কিন্তু তারপর?

পুজো রিলিজের ছবিগুলো সত্যিই কি বক্সঅফিস কাঁপাতে পেরেছ? উত্তর না, একেবারেই না!

দক্ষিণ কলকাতার এক হল মালিক বলছেন, “যা মনে হচ্ছে, তাতে বলতে পারি এসভিএফ ছাড়া কোনও প্রযোজক সেভাবে লাভের মুখ দেখেনি। হিসেব যা বলছে, প্রযোজক সংস্থা ‘ড্রাকুলা স্যর’ থেকে ৪০ লাখ, ‘রক্ত রহস্য’ এবং ‘এসওএস কলকাতা’ থেকে ২০ লাখের মতো টাকা ঘরে তুলতে পেরেছে। তবে এটা বলি, বক্সঅফিস থেকে না হলেও স্যাটেলাইট চ্যানেলে বিক্রি করে ছবি কিন্তু মার্জিনাল প্রফিটের মুখ দেখতে পারে।”

প্রথম ছ’দিনে বক্সঅফিস কালেকশনে এগিয়ে থাকা ‘ড্রাকুলা স্যার’ , ‘রক্ত রহস্য’,  কিংবা মিমি-নুসরত-যশ অভিনীত ‘এসওএস কলকাতা’  ছবিগুলো লাভের মুখ দেখতে পারেনি। কারণ কী প্যান্ডেমিক না ছবির কনটেন্ট?

এ প্রশ্নে কলকাতার মাল্টিপ্লেক্সের কত্তৃপক্ষ বলেন, “পুজোতে যে ছবিগুলো রিলিজ হয়েছে, তার একটিও কিন্তু পুজোর ছবি নয়। এগুলো সব ফিলার হিসেবে কাজ করেছে বলতে পারেন। কিন্তু এও ঠিক যে পুজোয় রিলিজ না হয়ে যদি এই প্যান্ডেমিকের সময় রিলিজ করত, তা হলে কিন্তু ফল আরও খারাপ হত। তবে লাভের মুখ দেখা এই অতিমারীতে সত্যিই কঠিন। বক্সঅফিসে পুজো রিলিজগুলো লাভের মুখ দেখেনি।”

তবে আরও এক মাল্টিপ্লেক্স কত্তৃপক্ষ গলায় একই সুর,  “প্রথমদিকে দর্শক হলমুখী হলেও, তারপরে সিনেমাহল ভরেনি। তাই বক্সঅফিস কালেকশনের নিরিখে প্রযোজক টাকা তুলতে পারেনি। তা সে ‘ড্রাকুলা স্যর’ হোক বা ‘রক্ত রহস্য’ এখন ভরসা একমাত্র টেলিভিশন কিংবা ওটিটি।”

রেজাল্টে পাশ মার্কস কারওর নেই। কিন্তু মন্দের ভালতে এগিয়ে দুই ছবি। ‘ড্রাকুলা স্যর’ এবং ‘রক্ত রহস্য’। প্রথম সপ্তাহে কালেকশন ছিল প্রায় ৫০ লক্ষ। ‘রক্ত রহস্য’-এর  ছিল ২০-৩০ লক্ষ।  কিন্তু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রযোজক সংগঠনের এক কর্তা র মুখে উঠে আসছে অন্য সুর, “শহরে ‘ড্রাকুলা স্যর’ ভাল ব্যবসা করলেও ‘লাভ স্টোরি’ কিন্তু শহরতলির বিভিন্ন হলে ভাল ব্যবসা করেছে।”

বারোটি ছবির ‘মারকাটারি’ রিলিজ এবারের পুজো দেখল। কিন্তু মারামারিতে কোনও ছবিই জিততে পারেনি। বেশিরভাগ হলমালিকদের দাবি, হিন্দি ছবি পর্দায় না ফিরলে শুধুমাত্র বাংলা ছবিতে হল চালানো সম্ভব নয়।

যদি এ দাবি সত্যিই হয় তাহলে বাংলা ছবির ভবিষ্যত কিন্তু অন্ধকার!