Pelvic Inflammatory Disease: তলপেটে মাঝে মাঝে ব্যথা করে? অবহেলা করবেন না, প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে
Pelvic Inflammatory Disease: এই রোগের সময়মতো চিকিৎসা না করা হলে, বন্ধ্যাত্বের কারণও হয়ে উঠতে পারে। প্রশ্ন হল পিআইডি কী? এর লক্ষণগুলি কী কী? কীভাবে এই সমস্যা এড়ানো যেতে পারে?

পিরিয়ড অনিয়মিত হওয়া মহিলাদের অন্যতম একটা বড় সমস্যা। অনেক কারণেই এটা হতে পারে। তবে বিষয়টিকে কখনও এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে যদি তলপেটে ব্যথা হয় বা আড়ষ্ঠ হয়ে থাকে তাহলে আরও সচেতন হতে হবে। কারণ এটি কিন্তু পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (PID)-এর লক্ষণ হতে পারে।
এই রোগের সময়মতো চিকিৎসা না করা হলে, বন্ধ্যাত্বের কারণও হয়ে উঠতে পারে। প্রশ্ন হল পিআইডি কী? এর লক্ষণগুলি কী কী? কীভাবে এই সমস্যা এড়ানো যেতে পারে?
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, পিআইডি, একটি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত রোগ। যা সময়মতো চিকিৎসা না করা হলে, মহিলাদের উর্বরতাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে। পিআইডি সাধারণত একটি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে হয় যা একজন পুরুষ থেকে একজন মহিলার শরীরে অরক্ষিত যৌন মিলনের সময় ছড়িয়ে পড়ে।
এই ব্যাকটেরিয়া ফ্যালোপিয়ান টিউব এবং ডিম্বাশয়ে পৌঁছায়, যার ফলে ঐ অংশে প্রদাহ বা এমনকি সংক্রমণ ঘটে। যদি সময়মতো এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে ফ্যালোপিয়ান টিউব ব্লক হয়ে যেতে পারে। এটি একজন মহিলার মা হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করতে পারে।
কী ভাবে বুঝবেন?
তলপেটে ক্রমাগত ব্যথা, গোপনাঙ্গ থেকে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব নির্গৎ হওয়া এই রোগের লক্ষণ। অনিয়মিত মাসিক এবং প্রচুর রক্তপাত হতে পারে PID-র লক্ষণ। যদি পিআইডি দীর্ঘ সময় ধরে থাকে, তাহলে এটি প্রজনন অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে, যা গর্ভাবস্থার সম্ভাবনা হ্রাস করে। এছাড়াও, গোপনাঙ্গ সঠিকভাবে পরিষ্কার না করার কারণেও এই রোগ হতে পারে।
কিভাবে PID প্রতিরোধ করা যেতে পারে?
অরক্ষিত যৌন মিলন এড়িয়ে চলা উচিত। এছাড়াও, আপনার গোপনাঙ্গ পরিষ্কার রাখুন। এছাড়াও, যদি কোনও সংক্রমণ হলে, তা হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এছাড়াও, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গ্রহণের মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ করা যেতে পারে।
বিঃদ্রঃ এখানে প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র আপনার তথ্যের জন্য। যেকোনো চিকিৎসা গ্রহণ বা বাস্তবায়নের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।





