Union Home Ministry: মাও দমনে তিন রাজ্যের ভূমিকার প্রশংসা শাহি মন্ত্রকের, তালিকায় নেই বাংলা

Union Home Ministry: দেশে মাওবাদী সমস্যা (Maoist Problem) নিয়ে রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) নেতৃত্বে ১০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বৈঠকে চলছে। বিজ্ঞান ভবনে এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও অংশ নেননি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

Union Home Ministry: মাও দমনে তিন রাজ্যের ভূমিকার প্রশংসা শাহি মন্ত্রকের, তালিকায় নেই বাংলা
অমিত শাহ (ফাইল ছবি)

নয়া দিল্লি: মাওবাদী কার্যকলাপ (Maoist Activity) দমনে তিন রাজ্য সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে ঝাড়খণ্ড, বিহার ও ওড়িশা সরকার মাওবাদী কার্যকলাপ দমনে ভাল পদক্ষেপ করেছে। পাশাপাশি মাওবাদী প্রভাবিত জায়গাগুলিতে উন্নয়নের কাজ কেমন হয়েছে সে বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয় এদিনের বৈঠকে।

দেশে মাওবাদী সমস্যা (Maoist Problem) নিয়ে রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) নেতৃত্বে ১০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বৈঠকে চলছে। বিজ্ঞান ভবনে এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও অংশ নেননি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর জায়গায় রাজ্যের তরফে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী (Harikrishna Dwivedi) এই বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক, মধ্যপ্রদেশের শিবরাজ সিং চৌহান এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এদিনের বৈঠকে।

জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে মূলত দুটি বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। প্রথম সেশনে আরও কড়া ভাবে কী ভাবে মাওবাদীদের আক্রমণ প্রতিহত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবং দ্বিতীয় সেশনে মাওবাদী প্রভাবিত এবং অধ্যুষিত জেলায় উন্নয়নের কাজের খতিয়ান দেখেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় রাস্তা, হাসপাতাল, স্কুল ইত্যাদির উন্নতিকল্পে কেমন কাজ হয়েছে তা ছিল এদিনের আলোচনার অন্যতম বিষয়।

সরকারি সূত্রে খবর, শেষ ৩ বছরে দেশে মাওবাদী প্রভাবিত জেলার সংখ্যা ১০০ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৭০-এ। সবচেয়ে বেশি মাও সক্রিয়তা কমেছে যে রাজ্যে, তা হল বিহার। বাকি ৩০টি জেলা নিয়ে আলোচনা হয় সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে। প্রসঙ্গত, এর আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছিল ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাও কার্যকলাপ ও সক্রিয়তা ৪৭ শতাংশ কমে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, নকশাল কার্যকলাপ নিয়ে প্রতি বছরই বৈঠক করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তবে এবার শুধু মুখ্যমন্ত্রীরাই থাকছেন না। পুলিশের ডিজি এবং মুখ্যসচিবের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের নিরাপত্তায় মোতায়েন প্যারামিলিটারি ফোর্সের প্রতিনিধিরাও অংশ নিচ্ছেন এই বৈঠকে বলে খবর। মাওবাদী প্রভাবিত ৭ রাজ্যের বেশি তাদের নিয়ে বৈঠকে গোয়েন্দা রিপোর্টও ভাগ করে নেয় কেন্দ্র বলে খবর। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ডাকা এই বৈঠকে ছিলেন না বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর জায়গায় বাংলার হয়ে উপস্থিত থাকছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। এ রাজ্যে মাওবাদী কার্যকলাপ দমনে রাজ্য সরকারের ভূমিকা, মাওবাদীদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে তৃণমূল সরকারের প্রচেষ্টা, আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের চাকরি দেওয়া ইত্যাদি তথ্য কেন্দ্রের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছে রাজ্য। রাজ্যের তরফে মাওবাদী সমস্যা নিয়ে কী কী ভূমিকা নেওয়া হয়েছে তা নিয়ে বলার সুযোগ থাকলে বলবে রাজ্য। নবান্ন সূত্রে খবর, আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের চাকরি দেওয়া থেকে শুরু করে একাধিক বিষয় রিপোর্ট আকারে নিয়ে গিয়েছে রাজ্য।

আরও পড়ুন: Mann Ki Baat: ‘সুরক্ষা চক্র ভাঙলে চলবে না’, উৎসবের মরসুমে করোনা রুখতে আর্জি নমোর

Read Full Article

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla