Rahul Gandhi: ‘এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়’, ৬২-র যুদ্ধ মনে করিয়ে কটাক্ষ বিজেপির
Rahul Gandhi: অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং-এর সাম্প্রতিক সংঘাত নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি।
নয়া দিল্লি : ভারত-চিন সংঘাত ইস্যুতে গত কয়েকদিন ধরেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধী দলগুলি। মুখ খুলেছেন রাহুল গান্ধীও। তাঁর দাবি, চিন যখন যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে, তখনও কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও উদ্বেগ নেই। সরকার বিষয়টাতে গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলেই দাবি করেছেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্যের পরই কংগ্রেসকে কড়া জবাব দিয়েছে শাসক দল বিজেপি। এভাবে দেশের সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছে বিজেপি।
বিজেপির মুখপাত্র রাজ্যবর্ধন রাঠোর বলেছেন, রাহুল গান্ধী চিনের এতটাই কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছেন যে তিনি বুঝে যাচ্ছেন, চিন এবার কী করবে। রাহুলকে আক্রমণ করতে গিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর কথা উল্লেখ করেন রাঠোর। ১৯৬২-র ভারত-চিন যুদ্ধের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভারত জোড়ো যাত্রা চলাকালীন রাহুল গান্ধী দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন, যাতে দেশের সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে যায়। এটা রাহুলে প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়, যিনি ৩৭ হাজার ২৪২ কিলোমিটার হারিয়েছিলেন চিনের কাছে।’
নতুন করে ক্ষমতায় ফেরার জন্য রাহুল গান্ধী জাতীয় সুরক্ষা নিয়ে বিবেচনাহীন মন্তব্য করছেন বলে উল্লেখ করেন বিজেপি নেতা। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে রাঠোর দাবি করেন, সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বাধীন রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন চলে চিনের টাকায়। চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের চুক্তি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
বিজেপি নেতা দাবি করেছেন, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন একাধিকবার চিন দখলদারির চেষ্টা চালিয়েছিল। নরেন্দ্র মোদীর আমলে সীমান্তে নিরাপত্তা তিন গুন বাড়ানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশেক তাওয়াং-এর কাছে ভারত-চিন সংঘাতের খবর প্রকাশ্য়ে এসেছে। এরপরই রাহুল গান্ধী বলেন, চিন যে ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছে, তা স্পষ্ট। কিন্তু গত ২-৩ বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার এই বিষয়টাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না, বরং ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। রাহুল মন্তব্য করেন, অরুণাচল আর লাদাখের কাছে চিন আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ঘুমিয়ে আছে। এরপরই রাহুলকে কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছে বিজেপি।