Rail Strike: ১ মে থেকে ভারত জুড়ে থেমে যাবে রেলের চাকা? ধর্মঘটের ডাক কর্মীদের
Rail Strike from May 1: শিব গোপাল মিশ্র আরও জানিয়েছেন, ফোরামে অংশ নেওয়া বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ১৯ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে রেল মন্ত্রককে ধর্মঘটের বিষয়ে একটি নোটিশ দেওয়া হবে। তবে শুঘু রেল ইউvfয়নগুলিই নয়, শিব গোপাল মিশ্রের দাবি, সরকারি কর্মচারীদের অন্যান্য বেশ কয়েকটি ইউনিয়নও রেল কর্মীদের সঙ্গে ধর্মঘটে সামিল হবে।

নয়া দিল্লি: ১ মে থেকে ভারতব্যাপী বন্ধ হয়ে যাবে যাবতীয় রেল পরিষেবা? অন্তত এই রকমই হুমকি দিয়েছে রেলওয়ে কর্মচারী ও শ্রমিকদের বেশ কয়েকটি সংগঠন। সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ, ‘জয়েন্ট ফোরাম ফর রেস্টোরেশন অব ওল্ড পেনশন স্কিম’ জানিয়েছে, তারা পুরোনো পেনশন স্কিম ফের বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে। এই দাবি পূরণ না হলে, ১ তারিখ থেকে রেল পরিষেবা বন্ধ করে দেবে বলেছে তারা। জয়েন্ট ফোরামের আহ্বায়ক তথা ‘অল ইন্ডিয়া রেলওয়েম্যানস ফেডারেশনে’র সাধারণ সম্পাদক, শিবগোপাল মিশ্র বলেছেন, “১ মে আন্তর্জাতিক শ্রম দিবস। জয়েন্ট ফোরামের কোর কমিটির বৈঠকে, পুরোনো পেনশন স্কিম ফের বাস্তবায়নের দাবিতে ওই দিন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
মঙ্গলবারই জয়েন্ট ফোরামের পক্ষ থেকে এই অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৯ মে এই অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের নোটিশ জারি করার হবে এবং ১ মে থেকে এই ধর্মঘট শুরু করা হবে। রেলওয়ে কর্মী ও শ্রমিকদের সংগঠনগুলি সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জয়েন্ট ফোরাম জানিয়েছে, পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিবেচনা করেছে তারা। নয়া পেনশন স্কিমের জায়গায় গ্যারান্টিযুক্ত পুরোনো পেনশন স্কিম ফের চালু করার যে দাবি তারা জানিয়েছে, সেই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। তাই, কমিটি মনে করছে সম্মিলিতভাবে ধর্মঘট ডাকা ছাড়া আর কোনও বিকল্প অবশিষ্ট নেই।
শিব গোপাল মিশ্র আরও জানিয়েছেন, ফোরামে অংশ নেওয়া বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ১৯ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে রেল মন্ত্রককে ধর্মঘটের বিষয়ে একটি নোটিশ দেওয়া হবে। তবে শুঘু রেল ইউিয়নগুলিই নয়, শিব গোপাল মিশ্রের দাবি, সরকারি কর্মচারীদের অন্যান্য বেশ কয়েকটি ইউনিয়নও রেল কর্মীদের সঙ্গে ধর্মঘটে সামিল হবে। এই সকল সংগঠনকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া এবং যথাযথভাবে তাদের নিজ নিজ প্রশাসনকে ধর্মঘটের নোটিশ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। রেল সংগঠনগুলির দাবি, পুরোনো পেনশন স্কিমে কর্মীদের স্বার্থরক্ষা হত। নতুন পেনশন স্কিমে কর্মীদের কল্যাণের কোনও কথা নেই।





