Alapan Banerjee: সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আলাপন মামলার শুনানি

Supreme Court: কেন দিল্লিতে সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালের CAT-এ শৃঙ্খলাভঙ্গ মামলার শুনানি নয়?,দিল্লিতেই শুনানির আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্র। কলকাতা হাইকোর্টের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কেন্দ্র।

Alapan Banerjee: সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আলাপন মামলার শুনানি
কেন্দ্রের মামলা স্থানান্তরের আর্জি খারিজ করে দিয়েছিল হাইকোর্ট

নয়া দিল্লি : হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্র। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যয়কে নিয়ে হওয়া সেই মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল আজ। আজ সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় সলিস্যিটর জেনারেল জানান, সংবিধান দিবসের কর্মসূচির কারণে তাঁকে বিজ্ঞান ভবনে যেতে হবে। তাঁর আর্জির পর পিছিয়ে যায় শুনানি। শুনানি হবে আগামী ২৯ নভেম্বর।

গত ২২ অক্টোবর সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালের বা ক্যাটের (CAT) কলকাতা বেঞ্চ থেকে মামলা দিল্লিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয় প্রিন্সিপাল বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আলাপন বন্দোপাধ্যায়। গত ২৯ অক্টোবর হাইকোর্টে স্বস্তি পান মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কেন দিল্লিতে মামলা সরানো হবে? প্রশ্ন তুলে ‘ক্যাট’-এর চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ।

কলকাতা থেকে সরিয়ে কেন দিল্লিতে সিএটি মামলা? প্রশ্ন ছিল আলাপনবাবুর। ‘ক্যাট’-এর চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ। এরপরই হাইকোর্টের নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্র। সুপ্রিম কোর্টে সলিসিটর জেনারেল বলেন, “কলকাতা হাইকোর্ট তার এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে এই মামলার নির্দেশ দিয়েছে।” পাশাপাশি কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের এই রায় অত্যন্ত ‘বিরক্তিকর’ বলে শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চের সামনে উল্লেখ করেন। আজ সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল।

গত ২৮ মে ঘটনার সূত্রপাত। ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’এর পর ওই দিন কলাইকুণ্ডায় প্রধানমন্ত্রী একটি রিভিউ বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৎকলীন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু, ক্ষয়ক্ষতি সামলানোর জন্য ব্যস্ত থাকায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর সভায় উপস্থিত হননি আলাপন। এরপরই তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তাঁকে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়। তাঁকে দিল্লিতে নর্থ ব্লকে হাজির হতে বলে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেখানে উপস্থিত না হয়ে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রধানমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান নরেন্দ্র মোদীর বৈঠকে উপস্থিত না হওয়ায় আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিপর্যয় মোকাবিলা আইন ভঙ্গ করার অভিযোগ ওঠে। বিপর্যয় মোকাবিল আইন ভঙ্গ করার জন্য কেন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না? সেই জবাব চাওয়া হয় আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। এরপরই অবসর নেন তিনি।

নির্ধারিত সময় দিল্লিতে যোগ না দেওয়ায় রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে শো-কজ করে কেন্দ্র। এরপর ডিপার্টমেন্ট অব পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিং-এর তরফে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। এই অনুসন্ধান প্রক্রিয়া খারিজ করার জন্য ‘সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালে’র কলকাতা বেঞ্চে সম্প্রতি মামলা করেছিলেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। আলাপনবাবুর অভিযোগ, অবসরপ্রাপ্ত কর্মী হিসেবে তাঁর যে সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য, তা তিনি পাচ্ছেন না। এই দাবিতে কলকাতার ক্যাটের বেঞ্চে যান আলাপনবাবু। কিন্তু দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়।

আরও পড়ুন :

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla