Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SSC Recruitment Case: স্টেপ বাই স্টেপ! এসএসসি নিয়োগে কীভাবে হত দুর্নীতি? সিবিআই-এর হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

SSC Recruitment Case: বেশ কিছু নথি সংগ্রহ করা হয়েছে যার মাধ্যমে পার্থর এই দুর্নীতিতে যোগের প্রমাণ মিলেছে। আদালতে জানিয়েছে সিবিআই।

SSC Recruitment Case: স্টেপ বাই স্টেপ! এসএসসি নিয়োগে কীভাবে হত দুর্নীতি? সিবিআই-এর হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য
এসএসসি-র চার্জশিট নিয়ে জটিলতা
Follow Us:
| Edited By: | Updated on: Sep 22, 2022 | 11:57 AM

কলকাতা: এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে শান্তিপ্রসাদ সিন্হা ও দুই মিডলম্যান প্রসন্ন রায় ও প্রদীপ সিং-কে আলিপুরে সিবিআই বিশেষ আদালতে পেশ করা হবে। নবম -দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা। গ্রুপ সি মামলাতেই তাঁকে সিবিআই গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য় সিবিআই-এর হাতে এসেছে। কীভাবে হয়েছিল এই দুর্নীতি? এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট TV9 বাংলার হাতে। নিয়োগ মামলার তদন্তে বিস্ফোরক তথ্য। আদালতে মুখবন্ধ খামে সিবিআই যে রিপোর্ট পেশ করেছে, তাতেই সরে যাচ্ছে একের পর এক রহস্যের পারদ।

সিবিআই সূত্রে খবর, ২০১৯ সালের প্যানেল বাতিল হওয়ার পর এসএসসি-র রিজিওন্যাল কমিশন থেকে মেমো বের করা হয়। কমিশনের চেয়ারপার্সনদের ডিজিটাল সই ব্যবহার করা হয়। উপদেষ্টা কমিটির পরামর্শ মেনে নিয়োগপত্র দেওয়া তৈরি হয়। কিন্তু সেই উপদেষ্টা কমিটির সুপারিশপত্র পাঠানো হয় মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের নিয়োগ সংক্রান্ত শাখায়।

এমনকি চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকা যাচাই করার জন্য সেন্ট্রাল কমিশনের ওয়েবসাইটেও আপলোড করা হয়নি। প্যানেল বাতিল হওয়ার পর এসএসসি-র সেন্ট্রাল কমিশনের দায়িত্বে থাকা শান্তিপ্রসাদ সিনহা রিজিওন্যাল কমিশনগুলির থেকে শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করেন।

সেই অনুযায়ী সুপারিশপত্র তৈরি করে নিজে হাতে কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়কে দেন শান্তিপ্রসাদ। কল্যাণ মাধ্যমিক শিক্ষাপর্ষদের অ্যাড হক কমিটির সভাপতি ছিলেন। তারপর কল্যাণ ভুয়ো নিয়োগপত্র তৈরি করেন।

কল্যাণ শুধু নিয়োগপত্র তৈরি করেননি। এসএসসি-র কর্মীদের মাধ্যমে সেগুলি পৌঁছে দেওয়ারও ব্যবস্থা করেন। যখন এই বেআইনি পদ্ধতিতে দুর্নীতি চলছিল তখন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। প্রাক্তন মন্ত্রী পরিকল্পনামাফিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। অযোগ্য ও তালিকায় নাম না থাকা প্রার্থীদের বিভিন্ন স্কুলে চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন।

বেশ কিছু নথি সংগ্রহ করা হয়েছে যার মাধ্যমে পার্থর এই দুর্নীতিতে যোগের প্রমাণ মিলেছে। আদালতে জানিয়েছে সিবিআই।

যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সিবিআই

১. প্যানেল বাতিল হওয়ার পরেও কার নির্দেশে শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করে এসএসসি-র সেন্ট্রাল কমিশন?

২. রিজিওন্যাল কমিশন কার চাপে সেই তালিকা পাঠায়?

৩. মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের অ্যাড হক কমিটি কে গঠন করেন? এই কমিটির কাজ কী ছিল? কল্যাণময় ছাড়া কে কে আছে এই কমিটিতে?

৪. তদন্তের স্বার্থে রিজিওন্যাল কমিশন ও সেন্টাল কমিশনের প্রধানদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআই।