AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kolkata: পুজোর আগে দুর্ঘটনা এড়াতে আগাম সতর্কতা! টনক নড়ল প্রশাসনের?

Kolkata News: সাম্প্রতিক ঘটনার জেরে এবার একটু বেশিই সতর্ক পুলিশ। পুজোর সময় আলোকসজ্জা থেকে যাতে কোনও রকম দুর্ঘটনা না ঘটে সেই ব্যাপারে সতর্ক করা হচ্ছে পুজো উদ্যোক্তাদের।

Kolkata: পুজোর আগে দুর্ঘটনা এড়াতে আগাম সতর্কতা! টনক নড়ল প্রশাসনের?
পুজোর আগে বৈঠক
| Edited By: | Updated on: Sep 25, 2021 | 5:37 PM
Share

কলকাতা: ‘কত হাজার মরলে তবে মানবে তুমি শেষে, অনেক বেশি মানুষ গেছে বাণের জলে ভেসে !’ গত সপ্তাহে জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ চলে যায় দুই কিশোরীর। শেষ হয়নি এখানেও। সামনে আসতে শুরু করে একের পর এক মৃত্যুর খবর। সাধারণের ক্ষোভ গিয়ে পড়ে প্রশাসনের উপর।  সেই সকল ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে পুজোয় এবার সতর্ক পুলিশ। অবশেষে বিলম্বিত বোধদয়।

সামনেই দুর্গাপুজো, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। চতুর্দিকে সাজো-সাজো রব । তার মাঝেই সন্তান হারা মায়ের কান্না। সাম্প্রতিক ঘটনার জেরে এবার একটু বেশিই সতর্ক পুলিশ। পুজোর সময় আলোকসজ্জা থেকে যাতে কোনও রকম দুর্ঘটনা না ঘটে সেই ব্যাপারে সতর্ক করা হচ্ছে পুজো উদ্যোক্তাদের। শুধু পুলিশ নয়, মাঠে নেমেছে সিইএসসিও। পুলিশ এবং সিইএসসি যৌথ ভাবে সতর্ক করছে পুজো উদ্যোক্তাদের। পাশাপাশি সিইএসসি কর্তৃপক্ষ পুজো উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও শুরু করেছে। ওয়ারিং কেমন হওয়া উচিত, দুর্ঘটনা এড়াতে কী ধরনের বিদ্যুতের তার ব্যবহার করা উচিত-এই সমস্ত বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে। এছাড়াও জানা গিয়েছে দমকল বিভাগও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা নিয়ে।

পুজো সমন্বয় মিটিং-এ কয়েকজন পুজোর উদ্যোক্তা বৃষ্টি ও জল জমা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তবে পুলিশের তরফে তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে পুরসভার ব্যবস্থাপনা ছাড়াও প্রত্যেক ডিভিশনে অতিরিক্ত পাম্প রাখা হবে।

আরও একাধিক সমস্যা পুলিশের সামনে তুলে ধরেন পুজো উদ্যোক্তারা। তাঁরা জানান, করোনাকালে নাইট কারফিউ জারি থাকার কারণে রাতের বেলায় যেসকল শ্রমিক পুজোর কাজের জন্য প্যান্ডেলে রয়েছেন তাঁরা বিভিন্ন অসুবিধায় পড়ছেন। তবে পুলিশ কমিশনার আশ্বাস দিয়েছেন থানায় যোগাযোগ করলে এই সংক্রান্ত বিশেষ পাসের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত দু’দিনের রাতভর বৃষ্টিতে নাজেহাল শহরবাসী। কোথাও কোথাও এখনও নামেনি জমা জল। শহরের এক প্রান্ত থেকে শুরু করে অপর প্রান্ত জমা জলের ছবিটা প্রায় এক। এদিকে, জমে থাকা জল থেকে ক্রমাগত সামনে এসেছে একের পর এক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা। ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃ্ত্যু হয়েছে আট জনের। শুধু ব্যারাকপুর নয়,বেলঘরিয়া টেক্সমেকো কারখানায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গিয়েছেন এক শ্রমিক।

অন্যদিকে,দমদমে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে মৃত্যু হয় দুই কিশোরীর।পুরো রাস্তা জলমগ্ন থাকায়, সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় ল্যাম্পপোস্টে হাত দেয় এক কিশোরী। তখনই বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয় এক জন। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয় অপরজনও। আবার খড়দহে বাড়ির সামনেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু এক পৌঢ়ের। পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন, বাড়ির সামনেই জল জমে ছিল। চৌকাঠ পেরোতেই আচমকাই পড়ে যান তিনি। জমা জলে বিদ্যুতের তার পড়ে থাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যান তিনি। খবর দেওয়া হয় খড়দহ থানায়। কোনও ভাবে তাঁকে উদ্ধার করে পুলিশ বলরাম হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: TMC Jago Bangla: তৃণমূলই ‘আসল কংগ্রেস’! সোনিয়া-রাহুলের দলকে ‘পচাডোবা’ বলল ঘাসফুল মুখপত্র

Follow Us