Upper Primary Agitation: ‘হাই সিকিউরিটি জ়োনে যাবেন না’, ৪ চাকরি প্রার্থীকে জামিন দিয়ে বলল আদালত
আন্দোলনকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম এদিন আদালতে বলেন, 'কোনও ডেভেলপমেন্ট নেই। জেলে গিয়ে জেরার কোনও আবেদন করেনি পুলিশ। এই অবস্থায় আমরা জামিন চাইছি।' আইনজীবী জানান, বিভিন্ন স্কুলে শূন্য পদ পড়ে রয়েছে। ইন্টারভিউয়ের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়েছিলেন এই ছেলে মেয়েরা।
কলকাতা: অবশেষে জামিন পেলেন ৪ চাকরিপ্রার্থী। চাকরির দাবিতে প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলেন তাঁরা। এরকই মোট ৫৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এরমধ্যে ৫৫ জন মহিলা ছিলেন। তাঁরা দু’দিন আগেই জামিন পেয়ে যান। তবে চারজন পুরুষ চাকরি প্রার্থীর জেল হেফাজত হয়। সোমবার জামিন পেলেন তাঁরা। ২ হাজার টাকার বন্ডে অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন তাঁরা। ৩০ জানুয়ারি আবারও তাঁদের হাজিরা দিতে হবে। এর মাঝে হাই সিকিউরিটি জ়োনে যেতে পারবেন না। আলিপুর আদালত তাঁদের জামিন দেয়।
আন্দোলনকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম এদিন আদালতে বলেন, ‘কোনও ডেভেলপমেন্ট নেই। জেলে গিয়ে জেরার কোনও আবেদন করেনি পুলিশ। এই অবস্থায় আমরা জামিন চাইছি।’ আইনজীবী জানান, বিভিন্ন স্কুলে শূন্য পদ পড়ে রয়েছে। ইন্টারভিউয়ের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়েছিলেন এই ছেলে মেয়েরা। মূলত এটা মহিলা চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন ছিল। যে চারজন জেলে আছেন, তাঁদের মধ্যে দু’জনকে চায়ের দোকান থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। ফেসবুক লাইভ করছিলেন দু’জন। আগের দিন ৫৫ জন জামিন পেয়েছেন। তাহলে এই ৪ জনের কেন জামিন হবে না, প্রশ্ন করেন আইনজীবী। যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়ার আবেদন করেন তিনি।
ফিরদৌস শামিম এদিন আদালতে বলেন, ‘পুলিশের কেউ আহত হননি। যে জায়গার কথা বলা হচ্ছে সেখান থেকে অনেক দূরে ছিলেন। অনুমতি নিয়েই গিয়েছিলেন। পেন ছাড়া আর কিছু উদ্ধার হয়নি তাঁদের কাছ থেকে। বেকারত্বের জ্বালা নিয়ে গিয়েছিলেন ওনারা।’ পাল্টা সরকারি আইনজীবী বলেন, ‘এরা প্রত্যেকেই অন্য কারণে অভিযুক্ত। আগের অভিযুক্তদের জামিন দেওয়ার সময় আদালত তা জানিয়েছে।’ সরকারি আইনজীবী ফের জেল হেফাজতের আবেদন করেন। এরপরই বিচারক সরকারি আইনজীবীর কাছে তদন্তের অগ্রগতি জানতে চান। বিশেষ কোনও অগ্রগতির তথ্য আদালতে দিতে পারেননি সরকারি আইনজীবী। সরকারি আইনজীবী বলেন, পুলিশ কর্মীরা যাঁরা আহত হয়েছিলেন সেই মেডিক্যাল সংক্রান্ত বিষয় আছে। এরপরই আদালত চারজনকে জামিন দেন।