Mamata Banerjee: ‘বিড়ি বাঁধতে জানেই না…’, রাহুল বাংলা ছাড়তেই নাম না করে খোঁচা মমতার
Mamata Banerjee: বিড়ি শ্রমিকদের দক্ষতার কথা বলার সময় রাহুল বলেছিলেন, তিনি মিনিট চার-পাঁচেক ধরে চেষ্টা করেও বিড়ি বাঁধতে পারেননি। আর এরপর বিকেলে ধরনা মঞ্চ থেকে মমতার মুখেও উঠে এল বিড়ির প্রসঙ্গ। কারও নাম না করেই বললেন, 'বিড়ি বাঁধতে জানেই না কোনওদিন।'
কলকাতা: রাহুল গান্ধীদের ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা সবে বাংলার মাটি ছেড়ে ঝাড়খণ্ডে ঢুকেছে। আর তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নাম না করে রাহুলকে কটাক্ষ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। খোঁচা দিলেন ‘বসন্তের কোকিল’ বলেও। এমনকী রাহুল আজ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার সময় বিড়ি বাঁধা নিয়েও মন্তব্য করেছিলেন। বিড়ি শ্রমিকদের দক্ষতার কথা বলার সময় রাহুল বলেছিলেন, তিনি মিনিট চার-পাঁচেক ধরে চেষ্টা করেও বিড়ি বাঁধতে পারেননি। আর এরপর বিকেলে ধরনা মঞ্চ থেকে মমতার মুখেও উঠে এল বিড়ির প্রসঙ্গ। কারও নাম না করেই বললেন, ‘বিড়ি বাঁধতে জানেই না কোনওদিন।’
ধরনা মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখার সময় মমতা বললেন, ‘এখন ইলেকশন এসেছে। তাই বসন্তের কোকিলদের দেখা যাচ্ছে। সব ফটোশ্যুট করছে। এখন আবার দেখছি নতুন করে ফটোশ্যুট। যাঁরা কোনওদিন চায়ের দোকানে বসেইনি। চা বানাতে জানেই না। বাচ্চাদের আদর করেইনি। শিশু বলতে কী, বোঝেই না। বিড়ি বাঁধতে জানেই না কোনওদিন। বাঃ বাঃ… বসন্তের কোকিলরা চলে এসেছে।’
উল্লেখ্য, গতকাল রাহুল গান্ধীদের ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা ছিল মুর্শিদাবাদে। জেলায় ঢুকেই সেখানকার বিড়ি শ্রমিকদের সঙ্গে বেশ কিছুটা সময় কাটান রাহুল। শোনেন তাঁদের সমস্যা, অভাব অভিযোগের কথা। একেবারে বিড়ি শ্রমিকদের ঘরে ঢুকে, টুলে বসে তাঁদের সঙ্গে খোলামেলা কথাবার্তা বলেন রাহুল। এরপর আজ ঝাড়খণ্ডের উদ্দেশে চলে যাওয়ার আগে বাংলার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার সময় বিড়ি শ্রমিকদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রাহুল। তাঁদের দক্ষতার কথা বোঝাতে গিয়ে বলেন, তিনিও চেষ্টা করেছিলেন বিড়ি বাঁধতে। কিন্তু পারেননি। আর এরপরই কারও নাম না করে বিড়ি নিয়ে খোঁচা মমতার।
শুধু তাই নয়, ইন্ডিয়া জোটের বন্ধু দলের তরফে মমতাকে বাংলার কর্মসূচির বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি, সেই নিয়ে আজ আবারও ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘বাংলায় প্রোগ্রাম করতে এসেছে। আমরা নাকি ইন্ডিয়া জোট। একবার তো জানাবে, অমুক দিন থেকে এই রুট দিয়ে প্রোগ্রাম করতে যাচ্ছি বাংলায়। আর তো কিছু চাই না। আমাকে তো কেউ বলেনি, আমি প্রশাসনের মারফত জেনেছি।’
এরপর মমতার আরও সংযোজন, ‘বাংলায় না এসে উত্তর প্রদেশে গেলে না কেন! দেখতাম বুকের পাটা। উত্তর প্রদেশে এলাহাবাদে, বেনারসে গিয়ে বিজেপিকে হারিয়ে আসো। রাজস্থানে গিয়ে হারিয়ে আসো। জেতা জায়গায় হেরেছো। প্রথমেই চলে এল বাংলায়।’