Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Smriti Irani: মমতার সরকার ২৬ হাজার লক্ষ টাকা খরচ করতে পারেনি, কলকাতায় বসে তোপ স্মৃতির

Smriti Irani: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, একাধিক প্রকল্পে রাজ্য সরকার কেন্দ্রের টাকাকে নিজেদের বলে চালাচ্ছে।

Smriti Irani: মমতার সরকার ২৬ হাজার লক্ষ টাকা খরচ করতে পারেনি, কলকাতায় বসে তোপ স্মৃতির
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি।
Follow Us:
| Edited By: | Updated on: Feb 04, 2023 | 1:38 PM

কলকাতা: কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে রাজ্যের অভিযোগ খারিজ করলেন কেন্দ্রের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। পাল্টা স্মৃতি ইরানির দাবি, টাকা দেওয়া হলেও সে টাকা খরচই করে না রাজ্য। কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে শনিবার কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন স্মৃতি ইরানি। সেখানেই স্মৃতি ইরানি জানান, নারী ও শিশু কল্যাণে কেন্দ্রের বরাদ্দ টাকা অব্যবহৃত। তা খরচই করেনি রাজ্য। স্মৃতি ইরানি বলেন, “পশ্চিমবাংলায় আমার মন্ত্রকেরই ২৬ হাজার লাখ টাকা পড়ে আছে। মহিলা ও বাচ্চাদের জন্য মোদী সরকার যে টাকা পাঠাচ্ছে, তা কেন বাংলার সরকার খরচ করছে না তার জবাব তাদের দিতে হবে।” একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা প্রকল্প, আইসিডিএসের বিষয়েও রাজ্যকে তোপ দাগেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বলেন, তৃণমূল নেতারা কিছু বলার আগে একটু নিজেদের কাগজটা পরীক্ষা করে দেখে নিক।

স্মৃতি ইরানি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা প্রকল্পের টাকা এ রাজ্যের সরকার নিজেদের প্রকল্পে খরচ করছিল। আমরা লিখিতভাবে জানতে চাই, কেন প্রকল্পের আইন ভাঙা হচ্ছে। এ রাজ্যের সরকার আমাদের ২০২২ সালে লিখিত দিয়েছে, ওরা আর আইন ভাঙবে না। গাইডলাইন মানবে। প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনার টাকা প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনা হিসাবেই খরচ হবে। আইসিডিএস, অঙ্গনওয়াড়ির যত টাকা ভারত সরকার পোষণ প্রকল্পে দিচ্ছে। এটাও লিখিত দেওয়া হয়েছে, এই গাইডলাইন মেনেই চালাবে।” স্মৃতি ইরানি এদিন জানান, রেলের খাতেও কেন্দ্র শুধু বাংলার জন্য ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের বাজেটে ১১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা দিয়েছে।

যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “স্মৃতি ইরানি কিছুই জানেন না। মাঝেমধ্যেই লাফান ছটাং পটাং কথা বলেন। স্মৃতি ইরানির তো ছোট্ট দফতর। ওর মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক। কেন্দ্র এ ক্ষেত্রে একটা প্রকল্প ঘোষণা করে। তাতে রাজ্যের ম্যাচিং গ্রান্ট থাকে। রাজ্য তা দেওয়ার অবস্থায় না থাকলে প্রকল্পটা আটকে থাকে। এটা সম্ভবত তাই হয়েছে। স্মৃতি ইরানি ভাল মন্ত্রী নন বলেই তো ওর থেকে সব দফতর কেড়ে নেওয়া হয়েছে।”