Bardhaman: দুর্ঘটনায় মৃত্যু ছেলের, খবর শুনেই ঘরে ঢুকে গলায় দড়ি দিলেন মা
Bardhaman: পরিবার সূত্রে খবর, পেশায় বাস চালক বিশ্বজিৎ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো কাজ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন বিশ্বজিৎ। মঙ্গলবার রাতে গুসকরা ১১ মাইল রাজ্য সড়কে বাসস্ট্যাণ্ডের কাছে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনি।

আউশগ্রাম: অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। ছেলে দুর্ঘটনা কানে আসতেই আত্মঘাতী হলেন মা। জানা গিয়েছে, পেশায় বাসচালক ছেলে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন। তারপর তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। সেই খবর বাড়িতে পৌঁছতেই শোকে আত্মঘাতী হন মা।
পরিবার সূত্রে খবর, পেশায় বাস চালক বিশ্বজিৎ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো কাজ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন বিশ্বজিৎ। মঙ্গলবার রাতে গুসকরা ১১ মাইল রাজ্য সড়কে বাসস্ট্যাণ্ডের কাছে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনি। তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই মৃত্যু হয় বিশ্বজিতের। বাড়ির বড় ছেলে বিশ্বজিতের মৃত্যু সংবাদ পৌঁছতেই শোকে আত্মঘাতী হন মা। মৃতার নাম লক্ষ্মী রানি ঘোষ (৭৮)।
জানা গিয়েছে,বুধবার সকালে বিশ্বজিৎ ঘোষের মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। সেই সময় তাঁর মা লক্ষ্মী রানি ঘোষ বাড়ির ভিতরে ঢুকে যান। দীর্ঘক্ষণ পরেও ফিরে না আসায় বাড়ির লোকজন ঘরের ভিতরে যান। গিয়ে দেখেন গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন লক্ষ্মী রানি। কামাক্ষ্যা মণ্ডল বলেন, “আমার মাস্তুতো ভাই বাসের ড্রাইভার। মোটর সাইকেলে করে খেতে আসছিল বাড়িতে। সেই সময় পিছন থেকে একটা গাড়ি এসে ওর পায়ে মারে। তখনই পড়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় তাঁরা। এটা মাসিমা জানতেই আত্মহত্যা করেন।”





