Shocking: মেজাজ হারিয়ে সকলের সামেনই ভক্তের গালে সপাটে চড় মারলেন সামান্থা, কী দোষ করেছিলেন…
Samantha Prabhu: বাস্তবে যখন ভক্তরা নিজের সীমা পেড়িয়ে যায়, সব সময় কি মাথা ঠাণ্ডা রেখে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে উঠতে পারেন সেলেবরা!

ভক্তদের মুগ্ধ করেই সেলেবরা স্টারডার্ম বজায় রাখেন, আবার ভক্তদের চটিয়ে ফেললেই মুহূর্তে তার থেকে মুখ সরাতে সময় লাগে না। সেই কারণেই সেলেবমানেই ভক্তদের চোখে এক আলাদা অধিকার বোধ। নিত্য যাঁদের ড্রইং রুমে আসা যাওয়া, নিত্য যাঁদের নিয়ে অবসরে চর্চা করা, সেই সেলেবদের নিয়ে এক আলাদা অধিকার বোধ জন্মে যাওয়া। সেই সুবাদেই এক একবার ভক্তরা বুঝে উঠতে পারেন না ঠিক কোন সীমাটা পেড়িয়ে গেলে সমস্যা হতে পারে সামনে থাকা সেলেবের। ড্রিম গার্লই হোক বা স্বপ্নের রোম্যান্টিক স্টার শাহরুখ কিংবা রণবীর, সকলেই যাঁদের নিয়ে নিত্য ভাবনা চিন্তা করে থাকেন, তাঁদের সামনে থেকে দেখার ইচ্ছে কারই বা না হয়। খোদ ওম শান্তি ওম-এ ওমের অবস্থাটাও ঠিক তেমনই ছিল।
তবে বাস্তবে যখন ভক্তরা নিজের সীমা পেড়িয়ে যায়, সব সময় কি মাথা ঠাণ্ডা রেখে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে উঠতে পারেন সেলেবরা! হয়তো নয়। কারণ অতীতে বহুবার দেখা গিয়েছে সেলেবদের খুব কাছ থেকে পেয়ে কেউ হাত টেনে ধরছেন, কেউ অকস্মিক কোনও আপত্তিকর স্পষ্ট করে ফেলছেন, সমস্যা শুরু হয়ে যায়। তাই বলে ভক্তের গালে সপাট চড়! সামান্থার এই ব্যবহার চোখে পড়ার পর তেমনটাই মনে হয়েছিল অনেকের। তবে পরবর্তীতে বিষয়টা স্পষ্ট করে দেওয়া হয় সামান্থার টিমের তরফ থেকেই।
একবার এক ভরা শপিং মলে চলছি প্রমোশনের কাজ। তারই মাঝে ভিড় সামলাতে অপারক দেহরক্ষীদের চোখ এরিয়ে একেবারে সামান্থার সামনে গিয়ে পড়েন এক ভক্ত, ভুলভাবে তাঁকে স্পর্শ করতে গেলেই চমকে গিয়ে ভক্তের গালে একটি সপাটে চড় মেরে দেন সামান্থা। সকলেই সেই মুহূর্তে তাঁর ব্যবহার দেখে চমকে গিয়েছিল। যদিও দক্ষিণের স্টারদের একাধিকবার দেখা গিয়েছে ভক্তদের বাঁচিয়ে কথা বলতে। ভক্তদেরকে কাছে টেনে নিয়ে তাঁদের ছোট ছোট দাবিগুলো মেটাতে। যদিও প্রতিবার সহ্যের সীমাটা এক থাকে না। সেই কারণেই সামান্থা প্রকাশ্যেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেছিলেন বলেই খবর।





