Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

দ্বিতীয় পর্যায়ে চলছে পরীক্ষা, সফল হলেই কোভিডের নয়া ওষুধ ভারতের হাতে

গত বছর থেকেই এই ওষুধটির (Niclosamide) পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হয়েছে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে চলছে পরীক্ষা, সফল হলেই কোভিডের নয়া ওষুধ ভারতের হাতে
ছবি: পিটিআই
Follow Us:
| Updated on: Jun 06, 2021 | 11:00 PM

নয়া দিল্লি: করোনাকে (COVID-19) হারাতে সবরকম চেষ্টা চলছে বিশ্বজুড়ে। ওষুধ-টিকা নিয়ে নিত্য নতুন পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞান। দ্বিতীয় ধাপে ট্রায়াল শুরু হয়েছে নিকলোসামাইডের (Niclosamide)। লাক্সাই লাইফ সায়েন্সেস প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে সিএসআইআর যৌথভাবে এই উদ্যোগ নিয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে।

মূলত কৃমির ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করা হয় নিকলোসামাইড। এবার সেই ওষুধকে কোভিড–১৯ এর সঙ্গে লড়াইয়ের উপযোগী করে তোলা হচ্ছে। বিভিন্ন পরিমাণে এই ওষুধ প্রয়োগ করে দেখা গিয়েছে, মানব শরীরে এটি কোনও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এই ওষুধের কার্যকারিতা, কতটা সুরক্ষিত এবং কতটা ব্যবহারযোগ্য তা জানা যাবে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীদের উপর এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হবে।

এতদিন মূলত পেটে কৃমি হলে এই ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ, সকলের জন্যই এই ওষুধ ব্যবহারযোগ্য। বিভিন্ন সমীক্ষায় এই ওষুধকে সুরক্ষিত বলেই দাবি করা হয়েছে। এমনটাও জানা গিয়েছে, নিকলোসামাইডের ব্যবহার ২০০৩-২০০৪ সালে যখন সার্স ভাইরাসের বাড়বাড়ন্ত হয়েছিল, তখনও করা হয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু (WHO)-এর জরুরি ওষুধের তালিকাতেও নাম রয়েছে এর।

আরও পড়ুন: সোমবার থেকেই শিশুদের পরীক্ষামূলক কোভ্যাক্সিন প্রয়োগ: সূত্র

সিএসআইআর–এর অ্যাডভাইজার অব ডিরেক্টর জেনারেল রাম বিশ্বকর্মা জানান, “আশা করা যায় এই ওষুধ সার্স-কোভ২কে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবে।” এই ওষুধ সফল হলে নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য। কারণ, এটি ভারতে সহজেই পাওয়া যায়। এর দামও আয়ত্বের মধ্যেই।

লাক্সাইয়ের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক রাম উপাধ্যায় জানিয়েছেন, গত বছর থেকেই তাঁরা এই ওষুধটির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করেছেন। সম্প্রতি ওষুধ নিয়ামক প্রতিষ্ঠানের থেকে বিভিন্ন অবস্থায় এটি প্রয়োগ করার অনুমতি পাওয়ার ফলে আগামী ৮–১০ সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের কাজ শেষ হবে।